লেখকঃ মোঃ সোহরাব হোসেন খান (অনন্ত মৈত্রী)
একের ঘরের একের কথা
বলছি আমি যথাক্রমে
দেখেছি আমি পঞ্চনামে
হচ্ছি প্রকাশ আমি যে তাই।
একের ঘরে যখন আমি চলে গেছি নিজেও জানি না। আমি আমার ভাবনাতেই এমন চিন্তা করিনি। আর একের জ্ঞান আমার মাঝে আসবে, আর আমি একের ঘরের অধিবাসী হবো। এইসব তো আমার কল্পনার বাহিরে। আমার প্রকৃতপক্ষে এমন কোনো ধ্যান ধারণারই ছিলো না। আমি অন্যান্য মানুষের মতো জীবন যাপন করবো এটাই ছিলো আমার জীবনের মূল লক্ষ্য আর উদ্দেশ্য। আমি তখনও জানি না যে আধ্যাত্মিকতার মাঝে এত রহস্য। আর এত গভীর মর্ম আছে। যাই হোক, আমি হঠাৎ করে দেখি আমার মাঝে অদ্ভুত আর অবিশ্বাস্য কিছু ঘটছে। যা আমার আশা কিংবা ভাবনার বাহিরে। আজ জ্ঞান প্রাপ্ত হবার পর উপলব্ধি হয়েছে সেটা ছিলো একের ঘর। আমি দেখি আমি একটা কক্ষে দাঁড়িয়ে আছি তখন আমি স্মরণ করছি-ইমাম হুসাইন (আ.)
সঙ্গে সঙ্গে দেখি আমার রূপে আমার প্রকাশ হচ্ছে।
স্মরণ করলাম একইভাবে অন্য চারজনের পবিত্র নাম, একে একে তাদের নামের সঙ্গে সঙ্গে আমারই প্রকাশ হচ্ছে। আশ্চর্য হয়ে শুধু আমি সেই লীলা দেখতে লাগলাম। জ্ঞান নেই, ভাষা নেই সেই লীলার মর্ম ব্যাখ্যা করার। প্রকৃত পক্ষে সাধানার মূল উদ্দেশ্যই হলো আপন আত্মা বা সত্তার পরিচয়। আর আপন সত্তার বা আত্মার পরিচয় এইভাবেই প্রকাশিত হয়। আর এই রহস্যেই একের ঘরের মর্ম। এই জন্যেই একের ঘরের সাধক যারা, একেবারেই নিশ্চুপ হয়ে যায়। একের এমন লীলা দেখে দেখে।