কলমে: শামীমা বেগম
অন্তিম আর্তনাদে বেজে উঠেছিল কাঁপন শ্রাবণের,
নিঃশেষ শ্বাসে তুমি হলে নক্ষত্রপুঞ্জের জনন।
চোখে তোমার দিগন্ত-ধূসর, ভাষা ছিলো নীরব—
প্রেমের প্রতিটি ধ্বনি যেন মৃত্যুর এক প্রতিচ্ছব।
তোমার বুকের নিস্তরঙ্গ ঢেউয়ে নিভে গেছে জোছনার ঢল,
আমার নামটুকু রেখেছিলে কি—শেষ নিঃশ্বাসে বল?
আঙুলে রেখে গেছো কাঁপা কাঁপা জীবনের সঞ্চয়,
তবু হাহাকারে আজও জেগে থাকে—ভালোবাসার অভয়।
অর্পিত এই অন্ধকারে হারিয়েছে রক্তিম সকাল,
তোমার ছায়া মিশে আছে দিগন্তছোঁয়া বিকাল।
নিরুপায় এই হৃদয় এখন মৃতপ্রেমের কবর,
তোমার অবর্তমানে আমি একা—নিঃশেষ অন্তর-নগর।
নির্বাক চন্দ্রে তোমার মুখ, বৃষ্টিতে গলে যাওয়া শোক,
তোমার অনুপস্থিতি ছুঁয়ে জাগে হাজার ব্যথার ঝোঁক।
তুমি নেই, তবু তুমি আছো—শিরায় শিরায় অনুতাপ,
প্রেম এক শবযাত্রা—তোমার নামে বাঁধা তার প্রত্যেক চাপ।