মোঃ ইদ্রিস শেখ, ক্রাইম রিপোর্টার খুলনা বিভাগ
খুলনা বাস টার্মিনাল, বাগেরহাট বাস টার্মিনাল, রুপসা বাস টার্মিনাল, মোংলা বাস টার্মিনাল, ঘোনা পাড়া বাস টার্মিনাল, যশোর বাস টার্মিনাল, সাতক্ষীরা বাস টার্মিনাল, পাইকগাছা বাস টার্মিনাল, এ সকল রুটে চলাচলকারী বেশিরভাগ লোকাল বাস সার্ভিস গুলি অবৈধভাবে চলাচল করে থাকেন যা সম্পূর্ণভাবে প্রশাসনের নাকের ডগার উপর দিয়েই চলাচল করে বলে দেখা যায়, অনুসন্ধানে দেখা যায় যে সকল গাড়ি ফিটনেসবিহীন অবস্থায় চলাচল করেন তার মধ্যে বেশিরভাগ গাড়ি ঢাকা মেট্রো (ব) খুলনা মেট্রো (জ) খুলনা মেট্রো (ব) ঢাকা মেট্রো (জ) সিরিয়ালের এ সকল গাড়ির ডিজিটাল নাম্বার প্লেট থাকলেও তার কার্যকারিতা নাই বললেই চলে ফিটনেস বিহীন এ সকল গাড়ি অনেক ত্রুটি থাকলেও তা বিআরটিএ থেকে অনায়াসে নিয়মিত ফিটনেস করছেন মালিক ও শ্রমিক পক্ষ, অনুসন্ধানে দেখা এ সকল গাড়ির চেসিস নাম্বার না থাকলেও খোদাই করে বসিয়ে নেয়া হচ্ছে এছাড়াও অনেক সময় ট্রাকের চেসিস দিয়ে বাস তৈরি করে ফিটনেসবিহীন অবস্থায় রোডে চালানো হচ্ছে সবথেকে অবাক বিষয় হলেও জীবনের কথা চিন্তা না করে অবৈধভাবে তৈরি করে যাচ্ছেন ইঞ্জিন ও চেসিস বিভিন্ন জায়গা থেকে হাওলাত করে এনে তা দিয়েই বানিয়ে নিচ্ছেন বাস আর সে সকল বাসকে বডি মিস্ত্রি বডি করে বাহারি রংয়ের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলছেন যার কারনে সাধারণ যাত্রীদের চোখে ধুলা দিতে সহজ হয়েছে এ সকল মালিক ও শ্রমিকদের কারণে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা যা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন হাইওয়ে সড়কে প্রতিনিয়ত ঝরে যাচ্ছে হাজারো মায়ের সন্তানের প্রাণ এ সকল গাড়ি শুধু জীবনের ঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না এ ধরনের হাজারো গাড়ি অবৈধভাবে যাত্রীদের ভোগান্তির ও কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন তারা অনেক সময় দেখা যায় কিছুদূর যাওয়ার পরে ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গিয়েছে এবার অটো রিকশা কিংবা অটোতে করে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে ফিটনেসবিহীন এ সকল গাড়ি চলাচলের নিয়ম না থাকলেও নির্দ্বিধায় প্রশাসনের সামনে দিয়েই দিনের পর দিন চলে আসছে এ সকল পুরাতন গাড়ি যা হাইওয়ে রোডে চলাচল করার অনুপোযোগী হয়েছে বিভিন্ন বিআরটিএ খবর নিয়ে জানা যায় একটি গাড়ির ইঞ্জিন নং চেসিস নং কমপ্লিট না থাকলে তার ফিটনেস দেওয়া হয় না তবুও দিনের পর দিন এ সকল ফিটনেস বিহীন গাড়ি কিভাবে চলছে তা অনেকেরই মনে প্রশ্নের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, অনুসন্ধানে ফিটনেসবিহীন নাম প্রকাশ না করা চার জন ব্যক্তি জানান এ সকল গাড়ি চলাচলের অনুপযোগী হলেও তা মালিক ও শ্রমিক পক্ষ সকল ধরনের পুলিশকে ম্যানেজ করে চালিয়ে থাকেন বলে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়, বিভিন্ন জায়গা গুলিতে মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে এই যানবাহন গুলো চালিয়ে থাকেন এখানেই শেষ নয় ফিটনেসবিহীন, হাই লোড ট্রাক বিভিন্ন ধরনের থ্রি হুইলার পুলিশকে প্রতিমাসে নির্ধারিত একটি টাকা দিয়ে চলেন বলে জানা যায় এছাড়াও ফিটনেস বিহীন গাড়িগুলি মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে বিভিন্ন বিআরটিএ থেকে অনায়াসে ফিটনেস বানিয়ে নিতেও তারা সক্ষম হয়ে থাকেন এতেই স্পষ্ট বোঝা যায় এ সকল ফিটনেসবিহীন গাড়ি মহাসড়কে কিভাবে অবৈধ হয়েও সঠিক নিয়মে তা চলাচল করে বাস ট্রাক ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের অবৈধ যানবাহন মহাসড়ক গুলিতে বাসা বেধেছে যা দেখেও না দেখার ভান করে বসে থাকেন পুলিশ একদিকে যান্ত্রিক ত্রুটি সম্পূর্ণ গাড়ি রাস্তায় চলাচল বন্ধ না করা, অন্যদিকে সম্পূর্ণ অবৈধ থ্রি হুইলারের চলাচল দিনের পর দিন হাইওয়ে সড়ক গুলিতে বেড়েই চলছে তাহলে প্রশাসন কি পদক্ষেপ নিচ্ছেন তা সকলের কাছে স্পষ্টভাবে তার ব্যাখ্যা রয়েছে এ সকল অবৈধ গাড়ি অতি দ্রুত বন্ধ না করতে পারলে ভবিষ্যতে এ সকল গাড়ির কারণে হাজার হাজার মায়ের কোল খালি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সুদৃষ্টি কামনা করেছেন বিভিন্ন জেলার হাজার হাজার অসাধারণ মানুষ।