শেষের অধ্যায় এসে জীবন ক্লান্ত হয়ে ভেঙে পড়লে চলবে না।
এই নতুন জীবন যাত্রা শুরু হলো আবার,
জীবন কি দিল আর কি দিল না
সেই হিসাব করা যাবে না!!
কারণ জীবনের হিসাব মিলানো যায় না!!
সংসারের প্রতিটি কোন, প্রতিটি মানুষের জন্য নিজের অস্তিত্ব বিলিয়ে
দেওয়ার দিন শেষ!!
দোষারোপের চক্র আর অভিযোগের বাক্স খোলার দিন ও শেষ হয়ে গেছে!!
জীবনের হিসেব ও আর মিলানোর কোন প্রয়োজনই নেই!!
দুঃখ,কষ্ট, যন্ত্রণা আর অবহেলা-অশান্তির ঝাঁপি তালা বদ্ধ করে -দরকার
মুক্তি—আত্মিক মুক্তি!
সময় এসেছে পেছনে তাকিয়ে নিজস্ব কৃতিত্বের জন্য স্যালুট জানানো!!
এর থেকে বেশি কৃতিত্ব হয় তো বা কম লোকেরই থাকে!!
জীবনে হয়তো কিছু মধুর মুহূর্ত ও ছিল
সেগুলোই দীর্ঘশ্বাসের জায়গায় স্থাপন করে কিছু বিনোদনে আর নিজেকেই ভালোবেসে
নতুন করে বিভিন্ন উপায়ে সুস্থ থাকার
চেষ্টায় ক্লান্তি দূর করে জীবন
শেষ করাই আত্মিক –মুক্তি!! আত্মিক -শান্তি!!
প্রশ্ন করেছিলে আমার দু চোখে ভালোবাসা দেখে
ভালোবাসা আছে
কতটুকু ও দুটি স্বপ্নিল চোখে ?
তাকিয়েছিলাম নিঃশব্দ মৌনতার সাথে
উত্তর দেইনি !!
আমি সমুদ্রকে জিজ্ঞাসা করলাম
কতটুকু জলরাশি আছে তোমার ওই বুকের গভীরে?? নিশ্চুপ সে থেকেছে
দেয়নি কোন উত্তর!!
গভীর মৌনতার সাথে প্রত্যাখ্যান করেছে আমাকে—-
আমি অবাক হয়ে চেয়ে থেকেছি তার দিকে!!
আমি আকাশকে জিজ্ঞাসা করলাম–
তার সীমারেখা কতটা দূর??
সে অবাক হয়ে চেয়ে থেকেছে আমার দিকে—
উত্তর দেবার প্রয়োজন মনে হয়নি তার
আমি অবাক বিস্ময়ে
চেয়ে দেখেছি তার দিকে
জবাব পাইনি দেবার!!
প্রশ্ন তোমার
ভালোবাসা আছে কতটুকু ও দুটি স্বপ্নিল চোখে?
আমি ঠিক তেমনি
ওই বিশাল সমুদ্রের মতো
আর অন্তহীন আকাশের মত
নিশ্চুপ হয়ে যাব !
উত্তর খুঁজে নিও আমার মৌনতা আর উদাস ভরা চোখের চাহনির কাছে!!