• সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বর্ণমালা হ্যান্ডরাইটিং একাডেমির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও গুণীজন সংবর্ধনা–২০২৬ অনুষ্ঠিত শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজে সাহিত্যচর্চা ও বইপাঠের প্রাণবন্ত আয়োজন রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও সফর: নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনে ডিআইজি ও পুলিশ সুপার খুলনার কয়রায় ১৪৫ কেজি হরিণের মাংস জব্দ লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও গার্ড অব অনারে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত নবাগত এসিল্যান্ডের সাথে সিংগাইর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মোর নাম এই নামে হোক, আমি তোমাদেরই লোক’—ঠাকুরগাঁওয়ে আবেগে রাষ্ট্রপতি ​নারায়ণগঞ্জে ট্রাফিক পরিদর্শক আব্দুল করিমের বিদায় ও জিয়াউদ্দীনের যোগদান শিশু শিল্পীদের নিয়ে মোমবাতি প্রজ্জলন এর মাধ্যমে খুলনা আর্ট একাডেমির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সুনামগঞ্জে চুরির ঘটনায় যুবলীগ নেতাকে পুলিশে দিলেন বাবা

Reporter Name / ৩১০ Time View
Update : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে চুরির ঘটনায় যুবলীগ নেতা ইছা মিয়া (৩৫) কে থানায় ধরিয়ে দিলেন বাবা। এর আগে ইছা মিয়াকে হাত-পা বেঁধে মারধরের পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সে উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের সাধেরখলা গ্রামের সায়েদ আলীর ছেলে ও ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

রবিবার (১৫জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ৩নং বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের সাধেরখলা গ্রামের সায়েদ আলী বাদি হয়ে গতকাল তার ছেলে ইছা মিয়ার নামে লিখিত অভিযোগ করেন,পরে তাকে আটক দেখিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

ইছা মিয়ার বড় ভাই সাবেক মেম্বার হযরত আলী বলেন, কয়েকদিন আগে আমার ছোট ভাই ইছা মিয়াকে চুরির অপরাধে গ্রামবাসী আটক করে খুঁটির সাথে হাত পা মারধর করে ছেড়ে দেয়। মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে সামাজিক ভাবে আমাদের লজ্জা পেতে হয়েছে। গ্রামবাসী ছেড়ে দেয়ার পর আমরা থাকে চিকিৎসা করাই।
এক পর্যায়ে সে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে পার্শ্ববর্তী শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নে তার শশুর বাড়ি চলে যায়। পরে খবর পেয়ে তাকে সেখান থেকে হাত-পা বেধ ধরে এনে থানায় সোপর্দ করি।
এঘটনায় আমাদের বাবা সায়েদ আলী বাদি হয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।
ইছা মিয়ার বড় ভাই সাবেক মেম্বার হযরত আলী আরো বলেন, আমাকে নিয়ে এলাকার কিছু লোক সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে অপপ্রচার করে যাচ্ছে আমি তো কোন অপরাধী না।
অপরাধ করলে আমার ছোট ভাই করছে তাকে আমরা আইনের হাতে তুলে দিচ্ছি এখন বিচার আইনি প্রক্রিয়ায় হবে।

উল্লেখ যে, সাধেরখলা হাজি এমএ জাহের উচ্চবিদ্যালয় সংলগ্ন রহিম মিয়ার দোকানে গত শনিবার (৩১ মে) রাতে একটি চুরির ঘটনা ঘটে।
পরের দিন রোববার সকালে অনেক খোঁজাখুঁজির পর চোর সন্দেহে ইছা মিয়াকে ধরে আনে গ্রামবাসী।
এ সময় তাকে রহিমের দোকান ঘরের খুঁটিতে বেঁধে মারধর করলে সে চুরি করেছে বলে স্বীকারোক্তি দেয়।
এরপর তার কাছ থেকে চুরি হওয়া কিছু মালামাল উদ্ধার করেছে বলেও জানা গেছে।
এছাড়াও সে ওই এলাকায় আরও একাধিক বাড়িতে ও মসজিদে চুরি করেছে বলেও স্বীকারোক্তি দিয়েছে। পরে গ্রামবাসী তার স্বজনদের খবর দিলে তারা কোনো সাড়া দেননি। একপর্যায়ে গ্রামবাসী সংশ্লিষ্ট গ্রামের ইউপি সদস্য রোপন মিয়াসহ স্থানীয়রা কাগজে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়।
এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা।
এনিয়ে গত ৩জুন “মসজিদে চুরি করে স্বীকার করলেন যুবলীগ নেতা” শিরোনামে অনলাইন ও পিন্ট মিডিয়াতে সংবাদ প্রকাশ হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd