• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বিশ্বনাথে প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজের বিদায় সংবর্ধনা অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই—– অধ্যাপক মাহফুজা হান্নান ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে স্ট্রিটলাইট ও সড়ক নির্মাণ থানচিতে শিশু অধিকার সপ্তাহের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন, দুই বিদ্যালয়ের শিরোপা জয় নীতিমালার বাইরে সার ডিলার নিয়োগে ব্যবস্থা- কৃষিমন্ত্রী ডিমলায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন পৌরসভায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও রাস্তা প্রশস্তকরণের দারুন উদ্যোগ, কমবে জলাবদ্ধতা-যানজট সিংগাইরে আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৮ জনের যাবজ্জীবন, খালাস ৪ সিংগাইরে বিস্ফোরক মামলায় সাবেক উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা উজ্জ্বল গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ইস্কাফ সিরাপ আটক

অনুমোদন ছাড়াই ‘মামা-ভাগিনা দই ঘর’-এর ব্যবসা, জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ

Reporter Name / ১২৯ Time View
Update : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

মোঃ রায়হান পারভেজ নয়ন
স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই মামা-ভাগিনা দই ঘর নামে একটি প্রতিষ্ঠানের দই উৎপাদন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির তৈরি দই খেয়ে কয়েকজন শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি যথাযথ মান নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই খাদ্যপণ্য বাজারজাত করে আসছে। এছাড়া তাদের পণ্যের মোড়কে উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের সময়সহ বাধ্যতামূলক বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ না করার অভিযোগও রয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর উপপরিচালক (মেট্রোলজি) প্রকৌশলী মো. আব্দুল হান্নান বলেন,
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আমাদের কাছে কোনো বৈধ কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়নি।
ডিমলা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওশন কবির বলেন,
অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে নীলফামারী জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. শিহাব উদ্দিন জানান,
“বিষয়টি আগে আমাদের নজরে আসেনি। এখন অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে মামা-ভাগিনা দই ঘর এর প্রোপ্রাইটর সাইফুল ইসলাম বলেন,
যারা ডেট চান, তাদের আমরা ডেট দিয়ে থাকি।

এদিকে সচেতন মহলের প্রশ্ন, জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট একটি খাদ্যপণ্যের প্রতিষ্ঠান কীভাবে দীর্ঘদিন প্রশাসনের নজরদারির বাইরে পরিচালিত হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd