• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ময়মনসিংহে শ্যামা পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সুপারের সঙ্গে পূজা উদযাপন কমিটির মতবিনিময় যশোর থেকে আগত শিল্প-সংস্কৃতিমনা অতিথিদের পদচারণায় মুখর খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংগ্রহশালা ডেঙ্গু প্রতিরোধে নেত্রকোণায় সচেতনতামূলক র‍্যালি ও প্রচারপত্র বিতরণ সাবেক এমপি এমএ মান্নানের বিরুদ্ধে ল্যাপটপ চুরি মামলা, চার্জশিট দেয়নি পুলিশ জগন্নাথপুরে সৈয়দ রেজওয়ান আহমদ ও শাহজাহান মিয়ার জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি পাঁচবিবিতে হা-ডু-ডু খেলার উদ্বোধন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা হাতীবান্ধা সীমান্তে বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্য জব্দ দেশে শ্রমিক আন্দোলন আলোচনা ও সমঝোতায় হোক সকল সমস্যার সমাধান

সুনামগঞ্জের লালপুর গুচ্ছগ্রামে ট্যাংকির ভেতর থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজন ৪ জন আটক

Reporter Name / ৫৫ Time View
Update : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিযনের লালপুর গুচ্ছগ্রামে ৮ মাসের এক শিশুর মরদেহ সেফটি ট্যাংকির ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহজনক অবস্থায় ৪জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

আজ সোমবার দুপুরে খবর পেয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ পিপিএম এর নেতৃত্বে এস আই মোহন দাসসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সেফটি ট্যাংকির ভেতর থেকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আট মাস বয়সী শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটির নাম আমির হামজা (৮ মাস)। সে লালপুর গুচ্ছগ্রামের সাব্বির হোসেনের ছেলে। এই ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে নেয়া লালপুর গুচ্ছগ্রামের মৃত নুর মিয়ার ছেলে মণির হোসেন(৩০),আব্দুল জব্বারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩৭),মণির হোসেনের মা রাবেয়া বেগম (৫৫) ও জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আফিয়া বেগম (৩৫)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত শিশুটির মা সাবিকুন নাহার সকালে ঘুম থেকে শিশুটিকে তার পিতার কাছে ঘুমে রেখে শ্বশুরবাড়িতে যান।

সকাল ৭টায় শিশুটির পিতা সাব্বির হোসেন ঘুম থেকে উঠে শিশু ছেলেটিকে বিছানায় না দেখে খোজাঁখুজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে গুচ্ছগ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী নাঈম মিয়া ট্যাংকির কাছে গিয়ে ঐ শিশুটির মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে সদর থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রতন শেখ পিপিএম এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্যাংকির ভেতরে শিশুটির লাশ দেখতে পান। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। পুলিশ হেফাজতে আনা সন্দেহভাজন চারজনের নিহত শিশুটির পিতা সাব্বিরের হোসেনের সাথে পূর্ববিরোধ থেকেই এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।

এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রতন শেখ পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,এই চারজনকে সন্দেহজনক অবস্থায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে আনা হয়েছে। এই ঘটনায় শিশুটির পিতা অবিযোগ দায়ের করলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd