• বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
চাঁপাইনবাবগঞ্জে অগ্রণী সেচ প্রকল্পের মেন ক্যানেল ঝুঁকিতে, ২৫০০ পরিবারের ফসল নিয়ে শঙ্কা প্রতিষ্ঠার ৩১বছরেও হয়নি সোগুনা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন, জরাজীর্ণ মাটির ঘরেই চলছে পাঠদান বাংলাদেশ পুলিশ মেধাবৃত্তি-২০২৪ ও ২০২৫-এর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট, সম্মানী ও সনদ প্রদান মায়ার টানে বারবার ফিরে আসি জনতার মাঝে- জননেতা এমএ কাহার জগন্নাথপুরে দরপত্র/টেন্ডার বিজ্ঞপ্তির আহবান জগন্নাথপুরে চাঁদাবাজি মামলার ৪ আসামী জেল হাজতে নিয়ামতপুরে ফোস্টার শিশুদের মাঝে নতুন পোশাক বিতরণ লালমনিরহাটে দূর্গা পূজা পালন উপলক্ষে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নিয়ামতপুরে ৩০ লিটার চোলাই মদসহ গ্রেপ্তার ২ জগন্নাথপুরে শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা নিশ্চিতে প্রস্তুতি সভা, ৩৯ মণ্ডপে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

পুঠিয়ায় চাকরি দেওয়ার নামে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা ও জমি আত্মসাতের অভিযোগ

Reporter Name / ৯০ Time View
Update : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

মোঃ মুনজুর রহমান, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ভাল্লুকগাছি ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা ও জমি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল রোববার (৪ অক্টোবর) ওই প্রতিষ্ঠানে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া চলাকালে পুরনো প্রতারণার অভিযোগে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, চাকরির লোভ দেখিয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা ও জমি লিখে নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবাদে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় এলাকাবাসী বিদ্যালয়ের মূল ফটকে বাঁশের বেড়া দিয়ে প্রবেশপথ বন্ধ করে দেন এবং খেলার মাঠে কলা গাছ রোপণ করেন।

জানা যায়, ২০২০ সালে মিলন আহমেদ নামে এক ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ও জমি রেজিস্ট্রি করে নেন প্রধান শিক্ষক। তাকে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে ৪ বছর পাঠদানও করানো হয়। পরে চাকরি স্থায়ী না করে টাকা ও জমি কোনোটাই ফেরত দেননি।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মিলন আহমেদ বলেন, “২০২০ সাল থেকে আমি ওই প্রতিষ্ঠানে যুক্ত। ৪ বছর পাঠদান করিয়েছি। প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা আমাকে যে নিয়োগপত্র দিয়েছিলেন, সেটা ভুয়া। তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। আমার টাকা আত্মসাৎ করেছেন।”

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবু তৌহিদ মাস্টার বলেন, “এ নিয়ে গ্রামে একাধিকবার সালিশ হয়েছে। সালিশে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষক এখন পর্যন্ত কোনো টাকা ফেরত দেননি।”

এ বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লিয়াকত সালমান বলেন, “আমার নির্দেশে বিদ্যালয়ের পরিবেশ এখন শান্ত রয়েছে। দুই পক্ষের সঙ্গেই কথা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করব। অপরাধ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd