সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ শহরের প্রিয়াঙ্গন মার্কেটের পূর্বপাশে গত ১৫ই সেপ্টেম্বর মারামারির ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সিসিটিভির ফুটেজ দেখে এবং প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্যে যাচাই করে কিশোর শিক্ষার্থী শ্রাবণের প্রতি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায় বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় শহরের নতুন হাছন নগরে গ্রেফতারকৃত শিক্ষার্থী শ্রাবণের পরিবার ও স্বজনদের আয়োজনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্র মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় লিখিত বক্তব্যে গ্রেফতারকৃত কিশোর শিক্ষার্থী শ্রাবণের স্বজন সাদিকিন মিয়া উল্লেখ করেন,গত ১৫ই সেপ্টেম্বর মারামারির ঘটনাটি কিভাবে শুরু হয়েছিল,কে প্রথম আক্রমন করেছিল এবং পরবর্তী গ্রেফতারকৃত শিক্ষার্থী শ্রাবণ তখন কি পরিস্থিতিতে ঘটনায় জড়িয়েছিল এইসব বিষয় যথাযথ যাচাই করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। তিনি উল্লেখ করেন ঐদিনের ঘটনার সিসিটিভির ফুটেজে ধারবাহিকতা যাচাইয়ের সুযোগ রয়েছে। কাজেই কোন একপক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে না গিয়ে ভিডিও ফুটেজ,প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য যাচাই করার পাশাপাশি ঐদিনের ঘটনায় শাহজাহান মিয়া নামের এক ব্যক্তি কিভাবে আহত হওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে শিক্ষার্থী শ্রাবণসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে। সেই ঘটনায় গত ১৯ সেপ্টেম্বর কিশোর শ্রাবণকে দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারগারে প্রেরণ করেন। সেদিনের মারামারির মূল ঘটনা কি ছিল এবং শ্রাবণ কোন পরিস্থিতিতে সেদিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছিল ঘটনার শুরু এবং শেষটা এইসব বিষয়গুলো সমান গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করতে স্থানীয় আইন শৃংখলা বাহিনীর নিকট জোর দাবি জানান। তিনি অভিযোগ করেন,ঘটনার দিন ওসময় প্রথমে আমানের উপর হামলা হয়,তাকে রক্ষা করতে শ্রাবণ এগিয়ে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয় । এক পর্যায়ে শ্রাবণ নিজের উপর চলমান হামলা থেকে আত্মরক্ষার চেষ্টা করে। কিন্তু শ্রাবণ একজন কিশোর শিক্ষার্থী,কোন অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে সামাজিকভাবে সন্ত্রাসী,কিশোর গ্যাং বা অপরাধি হিসেবে চিহিৃত করার আগে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো নিরপেক্ষ যাচাই ও তদন্তের দাবি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন,আঞ্জব আলী,তাহির মিয়া,তফিক মিয়া,ময়না মিয়া,মাহমুদ আলী,রেজুয়ান,ফরিদ মিয়া,নাইদুল ইসলাম, আকিনুর, আজিন, ফরিদ আলী,জামাল,সেজুল ও মহিবুর প্রমুখ।
এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি তদন্ত মোঃ আরিফ উল্ল্যাহ জানান,পুলিশ কখনো পক্ষপাতিত্ব তদন্ত করেনা। মামলা যেহেতু হয়েছে প্রকৃত সত্যি উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।