• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই—– অধ্যাপক মাহফুজা হান্নান ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে স্ট্রিটলাইট ও সড়ক নির্মাণ থানচিতে শিশু অধিকার সপ্তাহের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন, দুই বিদ্যালয়ের শিরোপা জয় নীতিমালার বাইরে সার ডিলার নিয়োগে ব্যবস্থা- কৃষিমন্ত্রী ডিমলায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন পৌরসভায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও রাস্তা প্রশস্তকরণের দারুন উদ্যোগ, কমবে জলাবদ্ধতা-যানজট সিংগাইরে আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৮ জনের যাবজ্জীবন, খালাস ৪ সিংগাইরে বিস্ফোরক মামলায় সাবেক উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা উজ্জ্বল গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে ইস্কাফ সিরাপ আটক সিংড়ায় সার ডিলারদের কড়া বার্তা এমপির, সিন্ডিকেট করলে ছাড় নয়

​অবিলম্বে ঈদুল আযহার পূর্বেই এমপিওভুক্ত কর্মচারীদের শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদানের জোর দাবি ​

Reporter Name / ১০০ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

বর্তমান সময়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লেও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। যেখানে সকল সরকারি চাকরিজীবীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেখানে কর্মচারীদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। বিগত বছরে শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ২৫% থেকে বৃদ্ধি করে ৫০% করা হলেও কর্মচারীদের ক্ষেত্রে তা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যা অত্যন্ত অমানবিক এবং চরম বৈষম্যমূলক।
​এমপিওভুক্ত ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটি-র

মহাসচিব মোঃ কামরুল খান

এক বিবৃতিতে বলেন, “বাজারের আগুনমূল্য শিক্ষক এবং কর্মচারী—উভয়ের জন্যই সমান। একজন শিক্ষক ও কর্মকর্তা যে বাজারে বাজার করেন, একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীও সেই একই বাজারে যান। তাহলে কেন কর্মচারীদের ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে? মাত্র ৮২৫০ টাকা মাসিক বেতন দিয়ে বর্তমান সময়ে কোনোভাবেই সংসার চালানো সম্ভব নয়। এই অবস্থায় উৎসব ভাতা না বাড়ানো কর্মচারীদের পরিবারের প্রতি এক ধরনের উপহাস।”

​
পদ-​পদবী ও মর্যাদা নিয়ে ষড়যন্ত্র: দীর্ঘদিন ধরে দপ্তরীদের পদ-পদবী পরিবর্তন নিয়ে নানা টালবাহানা ও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, যা তাদের সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করছে।

​বদলির বৈষম্য: প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের জন্য বদলি নীতিমালা করা হলেও কর্মচারীদের বিষয়টি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে। যখনই কর্মচারীদের দাবি সামনে আসে, তখনই রাষ্ট্রের অর্থনীতির অজুহাত তোলা হয়।
​শিক্ষার মানোন্নয়ন: শিক্ষা ক্ষেত্রে গতিশীলতা আনতে হলে শিক্ষক ও কর্মচারীদের সমান অগ্রাধিকার দিতে হবে। কর্মচারীদের বঞ্চনার মধ্যে রেখে শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়।

​আমাদের দাবি:
১. আসন্ন ঈদুল আযহার পূর্বেই এমপিওভুক্ত সকল কর্মচারীদের শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদান করতে হবে।
২. কর্মচারীদের বেতন বৈষম্য অবিলম্বে নিরসন করতে হবে।
৩. শিক্ষা নীতিমালার আলোকে দপ্তরী বা পিয়নদের পদ-পদবী ও বদলি সংক্রান্ত বৈষম্য দূর করতে হবে।

​মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি আকুল আবেদন, কেবলমাত্র প্রকল্পের বাজেট নিয়ে ব্যস্ত না থেকে তৃণমূল পর্যায়ের এই কর্মচারীদের মানবেতর জীবনের কথা বিবেচনা করুন।

“শিক্ষা বাঁচাও, দেশ বাঁচাও” স্লোগানকে সার্থক করতে হলে কর্মচারীদের অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করুন।
​এমপিওভুক্ত ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারীরা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আজ ঐক্যবদ্ধ।
দাবি পূরণ না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

​ধন্যবাদান্তে,
​
মোঃ কামরুল খান
মহাসচিব
এমপিওভুক্ত ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ
কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd