• শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বাংলাদেশ মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে টাংগাইলে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষ চারা বিতরণ বন্যার্তদের পাশে ‘লোহাগাড়া সোশ্যাল সোসাইটি’ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পেল ঢেউটিন লোহাগাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিক সংকটাপন্ন জগন্নাথপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন কটিয়াদীতে তিতাস গ্যাসের চোরাই লিকেজ পাইপ, সফল ভাবে মেরামত এবং অবৈধ চুনের কারখানার জমিদাতা দুইজন গ্রেফতার “পাচায় ঘা মাথায় মলম” প্রেক্ষিত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নেত্রকোণায় ২০ আগস্ট শুরু হচ্ছে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা, প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত সিলেটের বিশ্বনাথে ফেইক ফেসবুক একাউন্টে কুৎসা রটনার অভিযোগে থানায় জিডি বিশ্বনাথে‘১১ দলীয় ঐক্য উপজেলা ও পৌরসভা’র উদ্যোগে আয়োজিত গণমিছিল গাজীপুরে অপরাধ দমনে কঠোর জিএমপি: অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বেলায়েত হোসেনের দক্ষ নেতৃত্বে দৃশ্যমান অগ্রগতি

জবি প্রেসক্লাবের সাংবাদিক কায়েসের ওপর হামলা

Reporter Name / ২৭ Time View
Update : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬

সীমান্ত, জবি প্রতিনিধি:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) গতকাল সংঘর্ষের ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক ও দৈনিক আজকালের খবরের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি কামরুজ্জামান কায়েস। জবি শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হামলা, হুমকি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ এনে তিনি সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে তিনি এ অভিযোগ করেন।
কায়েস বলেন, “আমার দোষ ছিল সংবাদ সংগ্রহ করা। কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী হিসেবে নয়, একজন সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই হামলার শিকার হয়েছি।” তিনি জানান, গলায় প্রেসকার্ড থাকা সত্ত্বেও তাকে মারধর করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সর্দার সংবাদ সংগ্রহের সময় তাকে ডেকে নিয়ে যান। পরে মাহমুদ, রবিন মিয়া শাওন, শিহাব, মুশফিকুর রাইনসহ আরও ২০–২৫ জন তাকে মারধর করেন। এতে তার মাথা, চোখ ও নাকে গুরুতর আঘাত লাগে, চশমা ভেঙে যায় এবং তার মোবাইল ফোন ও পাওয়ার ব্যাংক ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।
তার ভাষ্য, ওই সময় মোবাইলের ক্যামেরা চালু থাকায় পুরো ঘটনাটি ভিডিওতে ধারণ হয়েছে।
কায়েস আরও দাবি করেন, হামলার স্থান রফিক ভবন ও উপাচার্য ভবনের মধ্যবর্তী এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। পাশাপাশি তার নিজের মোবাইলে ধারণ করা প্রায় ৪০ মিনিটের ভিডিও ফুটেজেও ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ সংরক্ষিত আছে।
হামলার পর সহপাঠী ও শিক্ষকদের সহায়তায় তাকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার এবং পরে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবারও হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে তাকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকরা মাথায় আঘাতের কারণে সিটি স্ক্যান করিয়ে দ্রুত নিউরোসার্জনের পরামর্শ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
কায়েস বলেন, আমি সব ঘটনার বিচার চাই। সাংবাদিকদের ওপর হওয়া প্রতিটি হামলার বিচার চাই। প্রয়োজন হলে বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি দেখে আমার কাছে থাকা সব ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করব।।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd