• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০২:০৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
পূর্বধলায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ডিমলায় যৌতুকের জমি নিয়ে বিরোধে পিটিয়ে বিয়াইনকে হত্যা, আটক ৪ গাজীপুরে অভিযানে পুলিশের গুলিভর্তি পিস্তল নিখোঁজ, উদ্ধারে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা মাদক ছেড়ে মাঠে ফেরাতে পূর্বধলায় ২৪ স্কুলে খেলার সামগ্রী দিলেন এমপি মানসুরা আক্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিত্যক্ত জায়গায় ফুলের বাগান ও শাক-সবজি চাষ, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিএনসির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শিশুসন্তানকে নিয়ে গৃহবধূ নিখোঁজ, চার দিনেও মেলেনি সন্ধান ফুলপুরে সরকারি দপ্তর পরিদর্শন করলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ককটেল ও রামদাসহ গ্রেপ্তার ২ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় জেলা পরিষদের মশারি বিতরণ শেরপুরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

অধরা উপবৃত্তি

Reporter Name / ১৫৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

মোঃ রেজন মিয়া

একটি আর্টিকেলে আমি লিখেছিলাম, “এবারও যদি উপবৃত্তি না পাই, তাহলে সরকারকে আমাদের বাড়িতে আমন্ত্রণ। এসে দেখে যাক, আমরা কত বড় নবাবের বংশধর, আমাদের প্রাসাদ কত উন্নত, কত শিল্পসমৃদ্ধ।”

ব্যঙ্গ করে লিখেছিলাম, কারণ বাস্তবতা অনেক কঠিন।

আমি জানি না বোর্ড আমার সঙ্গে কী ধরনের খেলা খেলছে। তবে আমি কাউকে অন্ধ বলতে চাই না, কাউকে অশোভন ভাষায় আক্রমণও করতে চাই না। শুধু চাই, যাঁরা এই দায়িত্বে আছেন, তাঁরা একবার নিজেদের কাছে প্রশ্ন করুন, তাঁদের সিদ্ধান্তে ন্যায়বিচার হয়েছে কি না।
কলেজের অবহেলার কারণেই উপবৃত্তি পাইনি, নাকি অন্য কোনো কারণে, সেটাও আজ পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। আমাদের সবাই উপবৃত্তির ফরম জমা দিয়েছিল। আমিও দিয়েছিলাম। কিন্তু উপবৃত্তি পেলাম না। উল্টো ফরম পূরণের জন্য বাবা-মায়ের কষ্টের টাকাটুকুও খরচ হলো। সেই খরচের কোনো মূল্যও রইল না।

এটাই প্রথম নয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুইটি শ্রেণিতে উপবৃত্তি পাইনি। উচ্চবিদ্যালয়েও পাইনি। এখন কলেজেও একই অভিজ্ঞতা।

বাবা-মা যে টাকা উপার্জন করেন, সেই টাকার পেছনে কত ঘাম ঝরে, কত পরিশ্রম, কত শারীরিক শক্তি ক্ষয় হয়, তা আল্লাহই ভালো জানেন। সেই কষ্টের টাকার মূল্য যাঁরা কাগজে-কলমে সিদ্ধান্ত নেন, তাঁরা হয়তো কখনো অনুভব করার সুযোগ পান না।

আমি জানি না উপবৃত্তির দায়িত্বে থাকা মানুষগুলোর কী পরিচয়।
মন খারাপ তো হবেই। তবু নিজেকে সান্ত্বনা দিই, হাসার চেষ্টা করি। কারণ দুঃখ প্রকাশ করলেও অনেক সময় তার কোনো শ্রোতা থাকে না।

আপনি হয়তো আপনার অবস্থান থেকে আমার অবস্থান পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারবেন না। যেমন আমি জানি না, আজ সকালে আপনি লবণ ভাত খেয়েছেন কি না। অনেক বাস্তবতা দূর থেকে দেখা যায় না।

এই পাণ্ডিত্যপূর্ণ পৃথিবীতে কে কতটা অবহেলিত, কে কতটা নীরবে কষ্ট বয়ে বেড়ায়, তারও কোনো দৃশ্যমান হিসাব নেই।
হয়তো এই লেখাটিও অনেকের চোখ এড়িয়ে যাবে। তবু লিখলাম। কারণ কখনো কখনো নীরবতার চেয়েও একটি সত্য কথা বেশি মূল্যবান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd