• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মায়ের হাসির জন্য: হারাধন থেকে আরাধন হয়ে ওঠার গল্প ধামইরহাটে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস চারা বিক্রয়ের অপরাধে অর্থ দন্ডসহ ৫০০ শত চারা জব্দ লোহাগাড়া সিটি হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় দুই নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ পীরগঞ্জে ডিবির জালে মাদকসহ ৮ মামলার আসামি জমির গ্রেফতার নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সিংগাইরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত কবিতাঃ এক প্লেট ভাত আজমুল হত্যা- একটি ময়নাতদন্ত কামদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন হাফিজার রহমান হাফিজ উইনিপেগে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে বাবা-মেয়েকে উদ্ধার, দুই বাসিন্দা পেলেন Mayor’s Award of Valour লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন নিয়ে ওসি’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

লোহাগাড়া সিটি হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় দুই নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

Reporter Name / ২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম)

লোহাগাড়া সিটি হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় দুই নবজাতকের মৃত্যু”র ঘটনায় নিহত শিশুদের পরিবারের পক্ষ থেকে মো. জিসান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লোহাগাড়া সিটি হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় দুই নবজাতকের মৃত্যু
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অপরিণত ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় জন্ম নেওয়া যমজ দুই নবজাতককে দ্রুত চট্টগ্রামের উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানোর পরিবর্তে লোহাগাড়া সিটি হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা চালিয়ে যান ডা. বদিউজ্জামান ও ডা. আবু রাফি। স্বজনদের দাবি, একদিন হাসপাতালে রাখার পর শিশু দুটির অবস্থার অবনতি হলেও তাদের চট্টগ্রামে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পরে লোহাগাড়ার সাউন্ড হেলথ হাসপাতালে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. ইকবাল হোসেনের পরামর্শে দ্রুত চট্টগ্রামে নেওয়ার পথে একটি নবজাতকের মৃত্যু হয়।

অপর শিশুটি চট্টগ্রামের একটি পেডিয়াট্রিক হাসপাতালে এনআইসিইউতে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যায়।

ডেলিভারির সময় সঙ্গে থাকা শিশুদের মামা ইসমাইল জানান, ৬ সেপ্টেম্বর হঠাৎ প্রসবব্যথা শুরু হওয়ায় দ্রুত আফসানাকে লোহাগাড়া সিটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. কানিজ নাসিমার পরামর্শে জরুরি সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারে যমজ শিশুর জন্ম হয়। পরে শিশু দুটির চিকিৎসা নিয়ে ডা. বদিউজ্জামানের পরামর্শ নেওয়া হলে তিনি চট্টগ্রামে নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে জানান। তার কথায় শিশু দুটিকে একদিন হাসপাতালে রাখা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ডা. ইকবাল হোসেনের কাছে নেওয়ার পর তিনি দ্রুত চট্টগ্রামের এনআইসিইউতে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। নিহত শিশুদের মামা আবু তারেক বলেন, তার বোন আফসানা গর্ভকালীন সময়ে চট্টগ্রামের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. শাহানা চৌধুরীর চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে প্রসবের সম্ভাব্য তারিখ থাকলেও প্রায় এক মাস আগে ৬ সেপ্টেম্বর প্রসবব্যথা শুরু হয়। স্বজনদের অভিযোগ, এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় জন্ম নেওয়া নবজাতকদের উন্নত চিকিৎসাকেন্দ্রে দ্রুত স্থানান্তরের পরিবর্তে স্থানীয় হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কারনে নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে বলে ও দাবি করেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে ডা. বদিউজ্জামান বলেন, জন্মের পর শিশু দুটির ওজন কম হলেও শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল। তাই হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। নবজাতকদের মৃত্যু তাদের হাসপাতালে হয়নি।

চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন সাজেদুর রহমান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তার কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। তবে বিষয়টি তিনি দেখছেন এবং তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বায়েজিদ বিন আখন্দ বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও সমাজসেবা কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd