• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সবুজ প্রকৃতির মাঝে বন্ধুদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ “চা ওয়ালার সাথে গল্প” যশোরবাসী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সিসিইউ সেবা পাবে- প্রতিমন্ত্রী অমিত কৃষকের ছেলে নাসিম এখন সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে তার পুরো গ্রাম খুলনা আর্ট একাডেমির ঐতিহ্য সংগ্রহশালায় ১৯৮২ সালের ১০ টাকার নোট উপহার দিলেন মনিরুল ইসলাম সাগর পুঠিয়ায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু সিংড়ায় ঈদগাহের জমি নিয়ে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ৩০ সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপারের সাথে মতবিনিময় করেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দরা নিয়ামতপুরে বেড়াতে এসে সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু ধর্মপাশা গাছতলায় সংখ্যালঘুর বসত ঘরে আগুন ও মালামাল লুট সহ ৩ জন আহত “প্রেম ফুল”  কলমেঃ সাজেদা আক্তার মিতা 

সবুজ প্রকৃতির মাঝে বন্ধুদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ “চা ওয়ালার সাথে গল্প”

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:

পড়ালেখার পাশাপাশি মোবাইল আর আড্ডায় সময় নষ্ট না করে ৮’বন্ধু মিলে গড়ে তুলেছেন ব্যতিক্রমী এক চায়ের দোকান। দোকানের নাম দিয়েছেন “চা ওয়ালার সাথে গল্প”। জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বেড়াখাই-কলন্দপুর ব্রিজের পাশে সবুজ প্রকৃতির মাঝে মনোরম পরিবেশে গড়ে উঠেছে এই দোকানটি।

বন্ধু রিফাত, সোহাগ, মাহফুজ, নীরব সহ ৮ বন্ধুর এই উদ্যোগ এখন এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তাদের দোকানে ভোজন রসিকরা খোশগল্পে মেতে উঠছেন আর উপভোগ করছেন নানা স্বাদের চা ও মুখরোচক খাবার। তাদের মেন্যুতে রয়েছে মালাই চা, বাদাম চা, পোড়া রুটি, ফুচকা, হালিম, চটপটি, সিক কাবাব সহ নানান পদের বাহারী খাবার। দাম নাগালের মধ্যে রাখায় ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে বলে জানান ৮’ বন্ধু উদ্যোক্তারা।

বন্ধুরা জানান, বর্তমানে প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতি, শুক্রবার ও শনিবার দুপুরের পর থেকে তাদের দোকান খোলা হয়। তবে ভ্রমণ পিপাসুদের চাহিদা বাড়ায় শিগগিরই প্রতিদিন দোকান চালু রাখার পরিকল্পনা আছে তাদের।

সরেজমিনে শুক্রবার বিকেলে দেখা যায়, শত শত নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর ভ্যান, রিক্সা, মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকে করে কলন্দপুর ব্রিজ এলাকায় ভিড় করেছেন। কেউ চা পান করছেন, কেউ পরিবার নিয়ে খাবার খাচ্ছেন। তাদের এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে আশপাশে আরও বেশ কয়েকটি খাবারের দোকান বসেছে। শিশুদের বিনোদনের জন্য এসেছে নাগরদোলাও।

ঘুরতে আসা কয়েকজন দর্শনার্থী বলেন, “আমাদের এই এলাকায় বিনোদনের তেমন কোন কেন্দ্র নেই। কাজ শেষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এমন সবুজে ঘেরা মনোরম পরিবেশে এসে খুব ভালো লাগছে। যে বন্ধুরা এমন উদ্যোগ নিয়েছে তাদের সাধুবাদ দেন।

উদ্যোক্তা বন্ধুদের একজন রিফাত বলেন, “আমরা সবাই স্কুল-কলেজে পড়ালেখা করি। অবসর সময়ে মোবাইল এবং মাদকের পিছে না ছুটে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। বেচাকেনা বেশ ভালো হচ্ছে, আমাদেরও খুব ভালো লাগছে। সকলের সহযোগিতা পেলে আমরা এই যাত্রা আরও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd