লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
২০২৭ সালের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এবং আগামী ১৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ সামাজিক আন্দোলনের কার্যক্রম সরাসরি দেখতে লালমনিরহাট সফর করবেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেছেন, এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে লালমনিরহাট জেলাকে মাদক, জুয়া, ক্যাসিনো, যৌতুক ও বাল্যবিবাহমুক্ত করা হবে এবং লালমনিরহাট সারা দেশের জন্য একটি রোল মডেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার সাহেব ডাঙা স্টেডিয়াম মাঠে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ গঠনে পাটগ্রাম উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ত্রাণমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন নয়। এটি সামাজিক আন্দোলন। জেলা পর্যায়ের কমিটিতে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও, স্থানীয় নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তি, শিক্ষক, ইমাম, ছাত্র, সাংবাদিক, খেলোয়াড় ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা যুক্ত রয়েছেন। ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ইউএনও, ওসিসহ স্থানীয় পর্যায়ের ব্যক্তিরা কমিটিতে রয়েছেন।
ত্রাণমন্ত্রী আরও বলেন, গত ৪ জুলাই মহামান্য রাষ্ট্রপতি এই নবযাত্রার শুভ উদ্বোধন করেছিলেন। চার মাসের মাথায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সশরীরে লালমনিরহাটে এসে কার্যক্রমের বাস্তবায়ন দেখার জন্য আসছেন। বাংলাদেশে এমন কোনো কর্মসূচি বা আন্দোলন নেই যেখানে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান উভয়েই সরাসরি যুক্ত থাকেন। প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচি নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন, যা অন্যান্য জেলার এমপিদের দেখিয়ে সারা দেশে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ আন্দোলনের সাফল্য তুলে ধরে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, এই আন্দোলনের সুবাদে দেশ-বিদেশে ব্যাপকভাবে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে চীন, নেদারল্যান্ডস ও ভারত যৌথভাবে এখানে কাজ করতে আগ্রহী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও অত্যন্ত আন্তরিক। ২০২৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মূল কাজ শুরু হবে।
সামাজিক অবক্ষয় ও নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বড় ভবন বা স্কুল বানালেই শিক্ষার উদ্দেশ্য সফল হয় না; যদি সেই স্কুলের মাঠে মাদক সেবন করা হয়। পোশাকের চেয়ে চরিত্রের সৌন্দর্যের গুরুত্ব বেশি উল্লেখ করে তিনি স্বেচ্ছাসেবকদের নীতিবোধ ও আদর্শ নিয়ে সমাজ পুনর্গঠনে কাজ করার দিকনির্দেশনা দেন।
পাটগ্রামের সাহেব ডাঙা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক, পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আখতার।
হয়ে গেছে গুরু, সাজিয়ে দিলাম —
‘আলোকিত লালমনিরহাট’ : পাটগ্রাম উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা
লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
২০২৭ সালের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এবং আগামী ১৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ সামাজিক আন্দোলনের কার্যক্রম সরাসরি দেখতে লালমনিরহাট সফর করবেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেছেন, এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে লালমনিরহাট জেলাকে মাদক, জুয়া, ক্যাসিনো, যৌতুক ও বাল্যবিবাহমুক্ত করা হবে এবং লালমনিরহাট সারা দেশের জন্য একটি রোল মডেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার সাহেব ডাঙা স্টেডিয়াম মাঠে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ গঠনে পাটগ্রাম উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ত্রাণমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন নয়। এটি সামাজিক আন্দোলন। জেলা পর্যায়ের কমিটিতে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও, স্থানীয় নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তি, শিক্ষক, ইমাম, ছাত্র, সাংবাদিক, খেলোয়াড় ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা যুক্ত রয়েছেন। ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ইউএনও, ওসিসহ স্থানীয় পর্যায়ের ব্যক্তিরা কমিটিতে রয়েছেন।
ত্রাণমন্ত্রী আরও বলেন, গত ৪ জুলাই মহামান্য রাষ্ট্রপতি এই নবযাত্রার শুভ উদ্বোধন করেছিলেন। চার মাসের মাথায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সশরীরে লালমনিরহাটে এসে কার্যক্রমের বাস্তবায়ন দেখার জন্য আসছেন। বাংলাদেশে এমন কোনো কর্মসূচি বা আন্দোলন নেই যেখানে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান উভয়েই সরাসরি যুক্ত থাকেন। প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচি নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন, যা অন্যান্য জেলার এমপিদের দেখিয়ে সারা দেশে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ আন্দোলনের সাফল্য তুলে ধরে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, এই আন্দোলনের সুবাদে দেশ-বিদেশে ব্যাপকভাবে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে চীন, নেদারল্যান্ডস ও ভারত যৌথভাবে এখানে কাজ করতে আগ্রহী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও অত্যন্ত আন্তরিক। ২০২৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মূল কাজ শুরু হবে।
সামাজিক অবক্ষয় ও নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বড় ভবন বা স্কুল বানালেই শিক্ষার উদ্দেশ্য সফল হয় না; যদি সেই স্কুলের মাঠে মাদক সেবন করা হয়। পোশাকের চেয়ে চরিত্রের সৌন্দর্যের গুরুত্ব বেশি উল্লেখ করে তিনি স্বেচ্ছাসেবকদের নীতিবোধ ও আদর্শ নিয়ে সমাজ পুনর্গঠনে কাজ করার দিকনির্দেশনা দেন।
পাটগ্রামের সাহেব ডাঙা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধান। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক, পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আখতার।
এ ছাড়াও পাটগ্রাম উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ৮১টি ওয়ার্ডের ৩১ জন করে স্বেচ্ছাসেবীরা অংশগ্রহণ করেন। মন্ত্রী আলোকিত লালমনিরহাট গড়ার লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।