জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর শহরের শেরপুর এলাকায় প্রাথমিক শিক্ষার স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান হাজি আব্দুর রশিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিশুদ্ধ পানির সংকট দূরীকরণে এগিয়ে এসেছেন যুক্তরাজ্য ভিত্তিক চ্যারিটি ফাউন্ডেশন ‘হাজী আব্দুর রশীদ ফাউন্ডেশন ইউকে।
পুরনো নলকূপ থাকলেও পানির স্তর নেমে যাওয়ায় নলকূপটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। ফলে দীর্ঘ দিন ধরে হাজি আব্দুর রশিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিশুদ্ধ পানির সংকটে চরম ভোগান্তিতে ছিলেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষকগণ বিশুদ্ধ পানির সংকটের বিষয়টি যুক্তরাজ্যভিত্তিক চ্যারিটি ফাউন্ডেশন ‘হাজী আব্দুর রশীদ ফাউন্ডেশন ইউকের দৃষ্টিগোচর করা হয়।
সম্প্রতি ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে বিদ্যালয়ের পুরনো নলকূপটি গভীর নলকূপে সংস্কার করে দেয়ায় বিশুদ্ধ পানির সংকট দূরীকরণ হয়। এতে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা ব্যাপক উচ্ছ্বাসিত হন।
গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সংস্কারকৃত গভীর নলকূপটি চালুকরণ উপলক্ষে বিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত আনন্দঘন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য ভিত্তিক চ্যারেটি ফাউন্ডেশন হাজি আব্দুর রশিদ
ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি যুক্তরাজ্য প্রবাসী শিবলুর রহমান।
আনন্দঘন এই অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য শিক্ষক শিক্ষার্থীদের প্রতি অভিনন্দন জানিয়ে শিবলুর রহমান বলেন বিদ্যালয়ের যেকোন সমস্যা দূরীকরণে ফাউন্ডেশনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জ্যোতি রানী সেন বলেন দীর্ঘ দিন ধরে নলকূপ অকেজো থাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকটে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে ছিলেন।ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে অকেজো নলকূপটি গভীর নলকূপে সংস্কারের ফলে দীর্ঘ দিন পর বিশুদ্ধ পানির সংকট দূরীকরণ হয়েছে। মহতি এই উদ্যোগের জন্য তিনি যুক্তরাজ্য ভিত্তিক চ্যারেটি ফাউন্ডেশন হাজি আব্দুর রশিদ ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মোঃ জগলুর রহমান,ভাইস-চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোঃ ফজলুর রহমানসহ সকল ট্রাস্টি নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানান।
আনন্দঘন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাজি আব্দুর রশিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি পৌরসভার সাবেক কমিশনার বিশিষ্ট সমাজসেবক শিক্ষানুরাগী মোঃ লুৎফুর রহমান, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুর রশিদ, সাবেক কমিশনার লালন মিয়া, বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য মোঃ ইয়াছিন উদ্দিন,সমাজকর্মী রাজীব চৌধুরী বাবুসহ এলাকার বিশিষ্টজন এবং বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।