• শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
বরানগরে লরির ধাক্কায় ঝরল দুই শিশুর প্রাণ, আহত বাবা; বি.টি. রোডে তীব্র ক্ষোভ প্রধানমন্ত্রীে নিয়ে এনসিপির নাসীরুদ্দীন ও সার্জিসের কটুক্তির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা জগন্নাথপুরে নৌকা ডুবিতে ২ জনের মৃতদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ আরো ২ ডিমলায় তিস্তা ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী: বছরের শেষেই পাইলট প্রকল্পের আশা রংপুর জেলা স্টেডিয়ামে কর্মরত সাংবাদিকদের জমজমাট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, ২-২ গোলে ড্র ডিমলায় শিক্ষা, যোগাযোগ ও মানবিক সহায়তার একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ব্যবসার স্থান যেন এডিস মশার জন্মস্থান না হয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিংগাইর উপজেলা শাখার আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জগন্নাথপু‌রে নৌকা ডু‌বি‌তে ২ জনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ২ পীরগঞ্জে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ডিমলায় তিস্তা ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী: বছরের শেষেই পাইলট প্রকল্পের আশা

Reporter Name / ৩৩ Time View
Update : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

স্টাফ রিপোটার, নীলফামারী

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকারের প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। কারিগরি কমিটি ইতোমধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এবং তা পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের উপায় খোঁজা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবকিছু অনুকূলে থাকলে চলতি বছরের শেষ দিকে অন্তত পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে তিস্তা মহাপরিকল্পনার দৃশ্যমান অগ্রগতি শুরু হবে।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্প এবং তিস্তা নদীর ভাঙনকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, তিস্তা অববাহিকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ অঞ্চলের উন্নয়ন ও নদী ব্যবস্থাপনায় মহাপরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিদর্শনের সময় দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে থাকা বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্পের বিভিন্ন আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা নিয়েও আলোচনা করেন তিনি। ১৯৬৭ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের প্রায় ১৩০ কোটি টাকার পুনর্খনন কাজ নানা জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং অন্যান্য পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে মামলা প্রত্যাহারসহ সব জটিলতার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে দ্রুত প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়।
এদিকে ডিমলার ঝুনাগাছ চাপানী এলাকায় তিস্তার ভয়াবহ ভাঙন সরেজমিনে দেখে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও টিউব ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেন।
নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো কোনো মানুষের বসতভিটা বা কৃষিজমি যেন নদীগর্ভে বিলীন না হয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd