• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মাদকবিরোধী অভিযানে যশোরে ৪ হাজার ৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩ অসহায় সীমার পাশে আলো মিডিয়া গ্রুপ, সেলাই মেশিন উপহার দিলেন সাংবাদিক ছানু সাইয়েদ আবদুল্লাহর হস্তক্ষেপে সাঁথিয়ায় ভাতা কার্ড পেলেন দুই প্রতিবন্ধী ব্যক্তি কুরুচিপূর্ণ পোস্টের আড়ালে ‘ব্ল্যাকমেইল’, ঠাকুরগাঁও আপডেট পেইজের মূল অ্যাডমিন শাওন ডিবির জালে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় গড়ে তুলতে হবে- এমপি তাহসিনা রুশদীর লুনা সুনামগঞ্জের নতুনপাড়ায় জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের অফিস উদ্বোধন করেন পৌর প্রশাসক অসীম চন্দ্র বণিক পাবনার ফরিদপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার বেনাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শনে চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান বীরগঞ্জে মরহুম বজলুর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন সিংড়ায় শুকাশ ‘আলাপন—নির্বাচনি এক্সপ্রেসে’ রাজু আহমেদ, আলোচনায় উন্নয়ন-জনসম্পৃক্ততা

ডিমলায় তিস্তা ও বুড়িতিস্তা প্রকল্প পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী: বছরের শেষেই পাইলট প্রকল্পের আশা

Reporter Name / ১০৩ Time View
Update : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

স্টাফ রিপোটার, নীলফামারী

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকারের প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। কারিগরি কমিটি ইতোমধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এবং তা পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের উপায় খোঁজা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবকিছু অনুকূলে থাকলে চলতি বছরের শেষ দিকে অন্তত পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে তিস্তা মহাপরিকল্পনার দৃশ্যমান অগ্রগতি শুরু হবে।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্প এবং তিস্তা নদীর ভাঙনকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, তিস্তা অববাহিকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ অঞ্চলের উন্নয়ন ও নদী ব্যবস্থাপনায় মহাপরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিদর্শনের সময় দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে থাকা বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্পের বিভিন্ন আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা নিয়েও আলোচনা করেন তিনি। ১৯৬৭ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের প্রায় ১৩০ কোটি টাকার পুনর্খনন কাজ নানা জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং অন্যান্য পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে মামলা প্রত্যাহারসহ সব জটিলতার সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে দ্রুত প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়।
এদিকে ডিমলার ঝুনাগাছ চাপানী এলাকায় তিস্তার ভয়াবহ ভাঙন সরেজমিনে দেখে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও টিউব ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেন।
নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো কোনো মানুষের বসতভিটা বা কৃষিজমি যেন নদীগর্ভে বিলীন না হয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd