• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
চুনতিতে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী বাছাইয়ে দৌড়ঝাঁপ; ‘ত্যাগীদের মূল্যায়নের’ আশ্বাস নেতাদের বিশ্ব ডাক দিবসে সিংগাইরে সাহরাইল ডাকঘরের বেহাল দশা, ঝুঁকিপূর্ণ টিনের ঘরে কার্যক্রম বান্দরবান-থানচি সড়কে যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা সরাইলের গর্ব – দেওয়ান মাহবুব আলী (কুতুব মিয়া): গরীবের নেতা, মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী বিক্রয় প্রতিনিধিদের সর্বনিম্ন বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবী লালমনিরহাটের আউলিয়ারহাট কাজী নিজামিয়া আলিম মাদরাসা ও হাতীবান্ধা শাহ গরীবুল্লাহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন রাজধানীর শাহজাহানপুর থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি নিখোঁজ, থানায় জিডি নেকমরদে বিট পুলিশিং কার্যালয় উদ্বোধন, মাদক-জুয়াসহ অপরাধ প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান পুলিশ সুপারের নিয়ামতপুরে বোরো ধানের ‘ঝুরা’ খড় বিক্রি করে লাভবান কৃষক গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারন সম্পাদক করিম মাহমুদ লিমন নির্বাচিত

নিয়ামতপুরে বোরো ধানের ‘ঝুরা’ খড় বিক্রি করে লাভবান কৃষক

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

 

এস এম রকিবুল হাসান
নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

পুরো ট্রাকটাই যেন আস্ত একটা খড়ের গাদা হয়ে গেছে। এই ‘চলমান’ খড়ের গাদা চলে যাবে সিরাজগঞ্জে। সেখানকার ব্যবসায়ীরা কিনে নেবেন এই খড়। সেখানে গোখাদ্য হিসেবে এই বোরো ধানের ঝুরা (আঁটি বিহীন) খড়ের বেশ চাহিদা রয়েছে।
ধানের জেলা হিসেবে খ্যাত নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার কৃষকেরা এবার বোরো ধানের ঝুরা খড় বিক্রি করতে পেরে বেশ খুশি। দামও মোটামুটি ভালো পাচ্ছেন।
কৃষকেরা জানিয়েছেন, সাধারণত আমন ধানের খড় জমিতেই শুকিয়ে আঁটি করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু বোরো ধানের ক্ষেত্রে কাঁচা ধানই মাড়াই করে নিতে হয়। তখন সেই ঝুরা খড় রোদে শুকিয়ে নিলে বিক্রি করা যায়।

গত কয়েকদিন আগে উপজেলার ভাবিচা গ্রামে একটি ট্রাকে তুলছিলেন খড় বোঝাই (লোড) করছিলেন খড় ব্যবসায়ী মাহাবুর রহমান। তিনি জানালেন, ভাবিচা ও শালবাড়ী গ্রামের কয়েকজন কৃষকের কাছ থেকে এই খড় কিনে নিয়েছেন। ট্রাকে লোড করে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর ও পাবনা জেলার বেড়া উপজেলায় নিয়ে গিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করবেন। একটি ট্রাকে ১২০-১৫০ মণ খড় বহন করা যায় বলে জানালেন।
তিনি আরও জানালেন, এখানে কৃষকদের কাছ থেকে ঝুরা খড় ‘ঠিকা’ ভাবে কিনে নেন। আর সিরাজগঞ্জ, পাবনা নিয়ে গিয়ে মণ হিসাবে বিক্রি করেন।

আরেক খড় ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন, সময়ভেদে খড়ের দাম উঠানামা করে। এখন খড়ের দাম তুলনামূলক
কম। এখন এক বিঘার খড় মান ভেদে ৫০০-৮০০ টাকায় কেনা হচ্ছে। তিনিও সিরাজগঞ্জ ও পাবনাতে নিয়ে গিয়ে খড় বিক্রি করেন বলে জানালেন।

ভাবিচা গ্রামের কৃষক বাবুল প্রামানিক বলেন, আমার কয়েক বিঘার বোরো ধানের খড় শুকাতে পেরেছিলাম। সেগুলো গাদা করে রেখেছিলাম। বিক্রি করে ভালোই দাম পেলাম।

নিয়ামতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন,
উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে গত বোরো মৌসুমে ২৩ হাজার ৩৬০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় অনেক কৃষকই কাঁচা খড় রোদে শুকিয়ে গাদা করে রেখেছিলেন। এখন সেই খড় বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd