• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সিলেটের বিশ্বনাথে “ক্লিন বিশ্বনাথ গ্রীণ বিশ্বনাথ”র অফিস উদ্বোধন নেত্রকোনায় সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন ধামইরহাটে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক এমপি শামসুজ্জোহা খান ইউএনও’র উদ্যোগে বর্ণমালা ও নানা প্রজাতির রঙিন ছবিতে সাজলো বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল ডিমলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান আলোকিত লালমনিরহাট গড়ার লক্ষ্যে সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ কমিটির সভা স্বাধীনতার পর প্রথম দুর্গাপূজা, কড়কড়িয়া গ্রামে উৎসবের আমেজ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান নজরুল ইসলাম মঞ্জুর কাঁঠালিয়ায় ছোট ভাই হত্যা মামলার আসামি বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ধামইরহাটে সমন্বিত পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতামূলক গম্ভীরা অনুষ্ঠান

স্বাধীনতার পর প্রথম দুর্গাপূজা, কড়কড়িয়া গ্রামে উৎসবের আমেজ

Reporter Name / ১২ Time View
Update : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬

এস এম রকিবুল হাসান, নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
শেষ দুর্গাপূজা হয়েছিল দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে। স্বাধীনতার পর আর ঢাক বাজেনি গ্রামটিতে। ৫৫ বছর পর মহাষষ্ঠীতে সেই মন্দিরে আবার জোড়া ঢাকের বাড়ি পড়ল। ঢাক-কাঁসর ও উলুধ্বনিতে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ল পুরো গ্রামে।

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের কড়কড়িয়া (কর্মকারপাড়া) সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে নতুন পূজা ঘিরে আয়োজকদের মধ্যে ব্যস্ততা দেখা গেছে।

গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ সুশীল কর্মকার (৮৫) বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে আমাদের গ্রামে পূজা হতো। তখন গ্রামে ১৬-১৭ ঘর বসতি ছিল। আশপাশের গ্রাম থেকে অনেক মানুষ আসত পূজা দেখতে। পূজা উপলক্ষে মন্দির প্রাঙ্গণে আলকাপ গান হতো। প্রচুর আনন্দ হতো। স্বাধীনতার পর অর্থনৈতিকসহ বিভিন্ন কারণে আর পূজা করা সম্ভব হয়নি। অনেক বছর পর আবার পূজা হচ্ছে, খুব ভালো লাগছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) মহাসপ্তমীর বিকেলে কড়কড়িয়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পূজামণ্ডপে প্রবেশের আগে দৃষ্টিনন্দন তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। করা হয়েছে আলোকসজ্জা। মন্দিরের সামনে দর্শনার্থীরা প্রতিমা দর্শন করছেন। কেউ কেউ মুঠোফোনে ছবি তুলছেন। পূজা কমিটির পক্ষ থেকে দর্শনার্থীদের প্রসাদ বিতরণ করা হচ্ছে।

পূজা কমিটির সভাপতি নরেন কর্মকার জানান, আমরা গ্রামের প্রবীণদের কাছে শুনেছি, স্বাধীনতার আগে আমাদের গ্রামে ধুমধাম করে পূজা হতো। স্বাধীনতার পর আর পূজা হয়নি। তাই আমরা গ্রামবাসী উদ্যোগ নিয়ে এবার নতুন করে পূজার আয়োজন করেছি। আশা করছি অনেক ভক্ত ও দর্শনার্থীর আগমন হবে। আমরা পূজাকে উৎসবমুখর করার সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।

এই মন্দিরে পূজা দেখতে এসেছেন ভাবিচা গ্রামের বাসিন্দা শ্যামল চন্দ্র সাহা। তিনি বলেন, আমার বাবা এই মন্দিরের পূজার জোগাড়ু (পূজার কাজে পুরোহিতকে সহায়তাকারী) ছিলেন। অনেক বছর পর সেই পূজা আবার হচ্ছে, তাই দেখতে এসেছি। ভালো লাগছে।

গ্রামের গৃহবধূ আদরী কর্মকার বলেন, আগে অন্য গ্রামে পূজা দেখতে যেতে হতো। রাতে আরতি দেখতে যেতে পারতাম না। এবার আমাদের গ্রামে পূজা হওয়ায় আনন্দ অনেক বেশি।

নিয়ামতপুর উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি ভীম চন্দ্র বর্মণ বলেন, নিয়ামতপুর উপজেলায় এ বছর ৫৫টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে কড়কড়িয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে এবার নতুন পূজার আয়োজন হয়েছে। পূজা উৎসবমুখর ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আশা করছি সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd