• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সিংগাইরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন পূর্বধলায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন, ফুটবলে ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের জয় বিশ্বনাথে প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজের বিদায় সংবর্ধনা অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই—– অধ্যাপক মাহফুজা হান্নান ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে স্ট্রিটলাইট ও সড়ক নির্মাণ থানচিতে শিশু অধিকার সপ্তাহের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন, দুই বিদ্যালয়ের শিরোপা জয় নীতিমালার বাইরে সার ডিলার নিয়োগে ব্যবস্থা- কৃষিমন্ত্রী ডিমলায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন পৌরসভায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও রাস্তা প্রশস্তকরণের দারুন উদ্যোগ, কমবে জলাবদ্ধতা-যানজট সিংগাইরে আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৮ জনের যাবজ্জীবন, খালাস ৪

গোয়াইনঘাটে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: অনুপস্থিত অধিকাংশ ইউপি চেয়ারম্যান ও কর্মকর্তা

Reporter Name / ১২২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

 

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ মাসিক সভায় অধিকাংশ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন দপ্তরের পদস্থ কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি থাকার বিষয়টি লক্ষ করা গেছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) উপজেলা প্রশাসনিক কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী।
স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের এমন ঢিলেঢালা মনোভাব ও অনুপস্থিতি উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গোয়াইনঘাট উপজেলার অপরাধ দমন, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধ, সীমান্ত সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতি মাসের মতো এই আইনশৃঙ্খলা সভার আয়োজন করা হয়। কিন্তু মাঠ পর্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার তথা বেশিরভাগ ইউপি চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তাদের আসনগুলো ফাঁকা থাকায় সভার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠক একটি উপজেলার জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিটি ইউনিয়নের তৃণমূল চিত্র তুলে ধরেন চেয়ারম্যানরা, আর তা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন সরকারি অফিসাররা। কিন্তু তাদের এই গণ-অনুপস্থিতি নিয়ে এলাকার সচেতন মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—জনপ্রতিনিধি এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা যদি প্রশাসনের ডাকা এমন গুরুত্বপূর্ণ সভাতেই অংশ না নেন, তবে মাঠ পর্যায়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা কীভাবে সম্ভব? এতে করে সাধারণ মানুষের আইনি সেবা প্রাপ্তি ব্যাহত হতে পারে এবং অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সভায় উপস্থিত থাকা কয়েকজন সদস্য বলেন, ইউএনও স্যারের সভাপতিত্বে সভাটি যথাসময়ে শুরু হলেও গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি ছিল চোঁখে পড়ার মতো। আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ। এখানে উপজেলার প্রতিটি এলাকার সমস্যা তুলে ধরা হয়। কিন্তু চেয়ারম্যান ও কর্মকর্তারা অনুপস্থিত থাকলে সেই এলাকার সমস্যাগুলো অলিখিতই থেকে যায় এবং কোনো কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয় না।
এ বিষয়ে সভায় উপস্থিত সীমিত সংখ্যক কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে অনুপস্থিতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগামীতে এ ধরনের সভায় সবার বাধ্যতামূলক উপস্থিতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd