মোঃ রায়হান পারভেজ নয়ন
স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নীলফামারীর জলঢাকায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকাল ১১টায় জলঢাকা উপজেলার বড়ঘাটস্থ বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী (নীলফামারী-৩) ও নীলফামারী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, জলঢাকা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সৈয়দ আলী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এম. শরিফুল ইসলাম বাবু, নীলফামারী জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, জলঢাকা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আজাদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন, সাবেক সদস্য একরামুল মনোয়ার, জলঢাকা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ জোয়ার্দার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন, মীরগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুবার রহমান বিটু, শিমুলবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আনিসুর রহমান রাজা, কৈমারী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রশিদুল ইসলাম, ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শামিম চৌধুরী এবং ধর্মপাল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাবু মহেশ চন্দ্র রায়।
এছাড়াও জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে দলের ভূমিকা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পাশাপাশি সবসময় জনগণের পাশে থাকার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। একইসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করা হয়।
এ ছাড়া বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কল্যাণ, দেশ ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধি, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।