• বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নীলফামারীতে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাহিদ মাহমুদ জাতীয় ঐক্য যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে- প্রধানমন্ত্রী সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর ঘিরে ফটিকছড়িতে প্রস্তুতি জোরদার, পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার ও ডিআইজি রানীগঞ্জ উন্নয়ন সংস্থার বৃক্ষরোপণ শিক্ষার্থীদের সাথে উৎসবমুখর পরিবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বইপড়া কর্মসূচির শুভসূচনা সিলেট রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি ওমর ফারুক নেত্রকোণায় আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪টি ক্লাবের উদ্বোধন কাউনিয়ায় শহীদবাগ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত কাউনিয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে বিএনপির স্বেচ্ছাশ্রম

টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ, সরকারের প্রতিশ্রুতি

Reporter Name / ২২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের পানি ব্যবস্থাপনা শুধু অবকাঠামোগত বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি আমাদের পরিবেশ, কৃষি, জনস্বাস্থ্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবন-জীবিকার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এখন জাতীয় অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট ২০২৬) বাংলাদেশ সচিবালয়ে পানি, পরিবেশ ও প্রকৌশল খাতের বিশেষজ্ঞদের সাথে এক দীর্ঘ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় বক্তারা নগর ও গ্রামীণ এলাকার খালগুলো দখল ও দূষণের বিষয়টি তুলে ধরেন। তারা বলেন, খালগুলো পুনরুদ্ধার করে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করা গেলে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে যাবে। একইসাথে নদীভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ এবং নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। নদী দূষণ বন্ধে কঠোর আইন প্রয়োগেরও সুপারিশ আসে আলোচনায়।

অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে নগর ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলেও মত দেন বিশেষজ্ঞরা। বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়া এখন নিয়মিত ঘটনা। এ সমস্যা সমাধানে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয়। পাশাপাশি কল-কারখানা ও বাসা-বাড়ির বর্জ্য পানি সরাসরি নদী-খালে ফেলার কারণে পানি দূষণ বাড়ছে। এজন্য প্রতিটি শিল্প ও আবাসিক এলাকায় বর্জ্য পানি পরিশোধনাগার স্থাপন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করা হয়।

ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে। এই সংকট মোকাবেলায় বড় বড় ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়ার সুপারিশ করেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া পানির সুষম বণ্টন, আন্তঃনদী সংযোগ এবং উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ততা মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণের কথা বলা হয়।

মতবিনিময় শেষে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একটি টেকসই, বিজ্ঞানভিত্তিক ও সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশেষজ্ঞদের দেওয়া মূল্যবান মতামত ও সুপারিশগুলো যাচাই-বাছাই করে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সভায় বক্তারা আরও বলেন, নিরাপদ পানি ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের অঙ্গীকার। আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তে হলে এখনই পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করতে হবে। এজন্য জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং স্কুল পর্যায় থেকে পানি সংরক্ষণে সচেতনতা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd