মোঃ আবু সাঈদ,স্টাফ রিপোর্টারঃ
ঢাকা-১৮ আসনের সর্বস্তরের জনগণকে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ও মশাবাহিত নানাবিধ রোগ থেকে মুক্ত রাখতে এবং একটি সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপহার দিতে দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম। সংসদ সদস্যের দূরদর্শী দিকনির্দেশনা ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে শনিবার সকাল ১০ টা থেকে ঢাকা-১৮ আসনের ৩ নম্বর, ৫ নম্বর ও ১২ নম্বর সেক্টরসহ সংলগ্ন এলাকার লেকগুলোতে জোরদার করা হয়েছে এডিস ও অন্যান্য মশার বিস্তার রোধে বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম।
জনকল্যাণে নিরবচ্ছিন্ন সেবা ও লেকভিত্তিক অভিযান এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে মাননীয় সংসদ সদস্য নিজে উদ্যোগী হয়ে সকালে ও বিকেলে নিয়মিত মশক নিধন অভিযানের রূপরেখা তৈরি করেছেন। উত্তরা ৩ ও ৫ নম্বর সেক্টরের লেকগুলোর পাশাপাশি ১২ নম্বর সেক্টরের লেকে জমে থাকা পানিতে মশার বংশবৃদ্ধি রুখতে নিয়মিত স্প্রে, লার্ভিসাইড ও বিষ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এ ছাড়া লেক সংলগ্ন কচুরিপানা পরিষ্কার ও লার্ভা ধ্বংসের কাজ অব্যাহত রয়েছে।
সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের এমন প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে উত্তরার সর্বস্তরের নাগরিকরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রচার-প্রচারণার তোয়াক্কা না করে জনসাধারণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নীরব বিপ্লব ঘটিয়ে চলেছেন তিনি। সকালে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৈকালে ধোঁয়া বা ফগিং চালানের মধ্য দিয়ে পুরো এলাকাকে ডেঙ্গুমুক্ত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া ও প্রত্যাশা উত্তরা এলাকার বাসিন্দারা সংসদ সদস্যের এই সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। এক স্থানীয় প্রবীণ নাগরিক জানান, “আমাদের এমপি সাহেব যেভাবে সকাল-বিকাল জনগণের সুস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে একক প্রচেষ্টায় কাজ করে যাচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। উনার এই নিরবচ্ছিন্ন উদ্যোগের কারণেই আজ মশার উপদ্রব অনেক নিয়ন্ত্রণে এসেছে।”
এলাকাবাসী ডেঙ্গু প্রতিরোধে এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও নিয়মিত লার্ভা নিধন অভিযান বছরের পুরোটা সময় ধরে অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন, যেন উত্তরাবাসীকে ভবিষ্যতে আর ডেঙ্গুর আতঙ্কে দিন কাটাতে না হয়।
সুস্থ ও সুন্দর ঢাকা-১৮ আসনের অঙ্গীকার জনগণের সেবাকেই ব্রত হিসেবে গ্রহণ করে এমপি জাহাঙ্গীর আলম নিশ্চিত করেছেন যে, এলাকার প্রতিটি গলি, পার্ক এবং লেকের পরিচ্ছন্নতা তদারকি অব্যাহত থাকবে। জনগণের পাশে থেকে সার্বক্ষণিক সেবা দিয়ে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত ঢাকা-১৮ আসন গড়ে তোলাই তাঁর মূল লক্ষ্য।