• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
জুলাই দিব না: খান রায়হানের সাহসী বক্তব্যে জামায়াত আমীরের সমর্থন ​চেক ডিজঅনার মামলায় বটিয়াঘাটা স্কুল শিক্ষিকার কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি নেত্রকোণায় “ভূমি ব্যবস্থাপনা কোর্স–২০২৬” এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত ডোমারে স্লুইসগেট ধস, নদীগর্ভে বসতভিটার অংশ: দুশ্চিন্তায় শতাধিক কৃষক পরিবার সিংগাইরে প্রাইভেটকারের চাপায় বৃদ্ধা নিহত সিলেটের বিশ্বনাথে ‘প্রবাসী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন’র পক্ষ থেকে অর্থ বিতরণ নীলফামারীতে আইবিডব্লিউএফ-এর ব্যবসায়ী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কৃষক হত্যা মামলায় সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের ব্যক্তিগত সহকারী তরিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার সিংড়ায় চার বছরের ব্যবধানে বজ্রপাতে প্রাণ গেল একই পরিবারের ২ ছেলের জগন্নাথপুরে বিয়ের ৩ মাসের মাথায় লন্ডন প্রবাসীর নববধুর আত্মহত্যা

ডোমারে স্লুইসগেট ধস, নদীগর্ভে বসতভিটার অংশ: দুশ্চিন্তায় শতাধিক কৃষক পরিবার

Reporter Name / ১১ Time View
Update : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

স্টাফ রিপোটার, নীলফামারী

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব হলহলিয়া এলাকায় হরিডারা নদীর ওপর নির্মিত একটি পুরোনো স্লুইসগেট ধসে পড়ায় নদীভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। এতে একটি বসতবাড়ির বড় অংশ নদীতে বিলীন হওয়ার পাশাপাশি এলাকার পানি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। ফলে আসন্ন আমন মৌসুমে কয়েক শত বিঘা কৃষিজমি চাষাবাদের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
রোববার দুপুরে আকস্মিক এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য, সকাল থেকেই স্লুইসগেটটি ধীরে ধীরে দেবে যেতে শুরু করে। পরে কাঠামোটি সম্পূর্ণ বসে গেলে নদীর পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় এবং অতিরিক্ত চাপে পাশের বাঁধের দুর্বল অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ করে ভয়াবহ ভাঙনের সৃষ্টি হয়।
ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হন এলাকার বাসিন্দা হালিমা বেগম। তিনি জানান, মুহূর্তের মধ্যেই তাঁর বাড়ির একটি বড় অংশ নদীতে চলে যায়। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়ারও সুযোগ পাননি। এখন পরিবার নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে বলে তিনি জানান।
এদিকে পানি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ায় কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয় কৃষকদের মতে, এই স্লুইসগেটের মাধ্যমে বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন এবং প্রয়োজনের সময় পানি সংরক্ষণ করা হতো। এটি ধসে যাওয়ায় আসন্ন আমন চাষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বাঁধ সংস্কার এবং আধুনিক ও টেকসই নতুন স্লুইসগেট নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে নদীভাঙন আরও বিস্তৃত হয়ে নতুন নতুন এলাকা ঝুঁকির মুখে পড়বে।
ডোমার উপজেলার সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ফিরোজ আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বাঁধের দুর্বল অংশ ও ইঁদুরের গর্ত দিয়ে পানি প্রবেশের কারণেই ভাঙনের ঘটনা ঘটেছে। ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ শুরু হয়েছে এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd