• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সিংগাইরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন পূর্বধলায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন, ফুটবলে ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের জয় বিশ্বনাথে প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজের বিদায় সংবর্ধনা অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই—– অধ্যাপক মাহফুজা হান্নান ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে স্ট্রিটলাইট ও সড়ক নির্মাণ থানচিতে শিশু অধিকার সপ্তাহের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন, দুই বিদ্যালয়ের শিরোপা জয় নীতিমালার বাইরে সার ডিলার নিয়োগে ব্যবস্থা- কৃষিমন্ত্রী ডিমলায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন পৌরসভায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও রাস্তা প্রশস্তকরণের দারুন উদ্যোগ, কমবে জলাবদ্ধতা-যানজট সিংগাইরে আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৮ জনের যাবজ্জীবন, খালাস ৪

মেধাবী শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় বসতে না দেওয়ার অভিযোগে তোলপাড় রাণীশংকৈল

Reporter Name / ১৪৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

 

মোঃ আকতারুল ইসলাম আক্তার, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার জওগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ফি ও সেশন ফি বকেয়া থাকায় পরীক্ষায় অংশ নিতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী দিনা আক্তারের পরীক্ষার ফি ও সেশন ফি বাবদ এক হাজার ১০০ টাকা বকেয়া ছিল। গত ১ জুলাই অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার প্রথম দিন নির্ধারিত সময়ে ফি পরিশোধ করতে না পারায় বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক তাকে অপমান করেন এবং পরীক্ষায় অংশ নিতে দেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই কারণে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই)ও সে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে দিনা আক্তার জানায়, তার বাবা-মা বাড়িতে না থাকায় নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষার ফি জমা দিতে পারেনি। বিষয়টি জানিয়ে প্রধান শিক্ষক ও দুই সহকারী শিক্ষিকার কাছে অনুরোধ করলেও তাকে পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার পর অপমানবোধে সে বাড়ি ফিরে যায়। ফলে পরদিনও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি বলে দাবি তার।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মেধাবী এই শিক্ষার্থীর সঙ্গে এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত। ঘটনার পর থেকে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়াও করছে না। এমনকি পরদিনও কোনো শিক্ষক তার খোঁজ নেননি। তাদের মতে, এ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের আরও মানবিক হওয়া উচিত ছিল।

শিক্ষার্থীর বাবা দুলাল হুসেন বলেন, “আমরা বাড়িতে না থাকায় মেয়ে সময়মতো টাকা দিতে পারেনি। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও তাকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেয়নি। এতে আমার মেধাবী মেয়েটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইব্রাহিম খলিল বলেন, “এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত সহকারী শিক্ষক রেজাউল ইসলাম বাবুল জানাতে পারবেন।”

সহকারী শিক্ষক রেজাউল ইসলাম বাবুল বলেন, “পরীক্ষার ফি ও সেশন ফি সংগ্রহ করা হচ্ছিল। কয়েকজন শিক্ষার্থীর বকেয়া থাকায় তাদের কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বলা হয়েছিল। দিনা আক্তারও তাদের মধ্যে ছিল। তবে তাকে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়নি।”

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বেলাল উদ্দিন প্রধান বলেন, “আমি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা বেগম বলেন, “সভায় থাকায় অভিযোগপত্রটি তখন হাতে পাইনি। অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd