• সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
রাজশাহী রেঞ্জের ৮ জেলার মধ্যে আবারও শ্রেষ্ঠ চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন ৪ পুলিশ কর্মকর্তার বিশ্বনাথে মজিদ আম পল্লী ১ম মেধা বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন জগন্নাথপুরে হাজি আব্দুর রশিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গভীর নলকূপ সংস্কার রংপুরে আইনজীবীদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ‎শ্যামা মায়ের আরাধনায় ময়মনসিংহে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ডিমলায় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি সিংগাইরে স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত নিয়ামতপুরে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত নেত্রকোণায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

গোয়াইনঘাটে ফের দায়িত্ব পেলেন বিতর্কিত সাবেক ওসি আহাদ: সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড়

Reporter Name / ৩০২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫

 

গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি:
গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে আবারও দায়িত্ব পেয়েছেন আবদুল আহাদ। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, সারাদেশের ৫২৭টি থানায় লটারির মাধ্যমে নতুন ওসি পদায়নের তালিকায় তিনি গোয়াইনঘাট থানার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। সিলেটের চার জেলার ৩৯টি থানাতেও একই প্রক্রিয়ায় ওসি নির্ধারণ করা হয়েছে।
ওসি আহাদের ফের গোয়াইনঘাটে পদায়নের খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা রুবেল আহমদ তার পোস্টে অভিযোগ করেন, “আগের লাইন আবার চালু হবে… ডেবিলরা শান্তিতে থাকবে।”
ওসি আবদুল আহাদের বিরুদ্ধে এর আগেও নানা অভিযোগ ওঠে-যার একটি ২০২১ সালে করা কোটি টাকার দুর্নীতির মামলা, যা আদালত দুদকে তদন্তের জন্য পাঠায়। মামলার বাদী ছিলেন জাফলং নয়াবস্তি এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইনছান আলী। এ মামলায় ওসি আহাদসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনে সহযোগিতা, আর্থিক ফায়দা গ্রহণ এবং বাধা দিলে মুক্তিযোদ্ধার ওপর বলপ্রয়োগের অভিযোগ আনা হয়।
তবে ওসি আহাদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন বলে জানা যায়।
ওসি আহাদের নাম আলোচনায় আসে আরেকবার ২০১৯ সালে ছাত্রদল নেতা আন্নু মালিক লিটনকে গ্রেপ্তার-নির্যাতন এবং পরবর্তীতে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগের ঘটনায়।
২০১৮ সালে গোয়াইনঘাট থানার ওসি আহাদ হুন্ডির মাধ্যমে দেশ থেকে ৪৫০ কোটি টাকা ভারতে পাচার এবং সাড়ে ৪ কোটি টাকা ঘুষ আদায়ের মামলার আসামি আবদুল আহাদ।
লিটনের পরিবার ও দল বিএনপির দাবি- তাকে প্রথমে নিখোঁজ করা হয়, পরে জাফলং চা-বাগান এলাকায় ‘ক্রসফায়ারের প্রস্তুতি’ নেওয়া হয়েছিল, জনমনে বিষয়টি প্রকাশ পেয়ে গেলে ১ কেজি হিরোইনসহ আটক দেখানো হয়, থানা হেফাজতে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হন তিনি।
লিটন পরিবারের অভিযোগ-জব্দ দেখানো হিরোইন আসলে ময়দা ছিল এবং সেটির কোনো ফরেনসিক রিপোর্ট আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি। তবে মামলায় চার্জশিট দেয় পুলিশ।
২০২৩ সালের ৫ অক্টোবর লিটনকে ফাঁসির আদেশ দেন আদালত। বর্তমানে মামলাটি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। লিটনের পরিবার ও বিএনপি এই মামলাকে “ফরমায়েশি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” দাবি করে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করছেন।
অতীতের নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওসি আহাদকে গোয়াইনঘাটে ফের দায়িত্ব দেওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। একই সঙ্গে লিটনের পরিবার বলছে- “ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তারা থামবেন না।”
সংশ্লিষ্ট স্থানীয় মহল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠেছে যে ওসি আহাদের মেয়াদকালে গোয়াইনঘাটে অবৈধ পণ্য পাচার, সীমান্তজুড়ে চোরাচালান, বালু-পাথর সিন্ডিকেট ও খেকো-চক্রের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। এসব কর্মকাণ্ডে তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd