• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ডিমলায় যৌতুকের জমি নিয়ে বিরোধে পিটিয়ে বিয়াইনকে হত্যা, আটক ৪ গাজীপুরে অভিযানে পুলিশের গুলিভর্তি পিস্তল নিখোঁজ, উদ্ধারে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা মাদক ছেড়ে মাঠে ফেরাতে পূর্বধলায় ২৪ স্কুলে খেলার সামগ্রী দিলেন এমপি মানসুরা আক্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে পরিত্যক্ত জায়গায় ফুলের বাগান ও শাক-সবজি চাষ, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিএনসির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শিশুসন্তানকে নিয়ে গৃহবধূ নিখোঁজ, চার দিনেও মেলেনি সন্ধান ফুলপুরে সরকারি দপ্তর পরিদর্শন করলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ককটেল ও রামদাসহ গ্রেপ্তার ২ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় জেলা পরিষদের মশারি বিতরণ শেরপুরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

নিখোঁজের ৭ মাস পর সীরতুন্নবী সাঃ মাহফিলে মিলল রায়হানকে

Reporter Name / ৫৫ Time View
Update : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন, চট্টগ্রাম:

নিখোঁজ শিশুর পা কেটে করানো হয় ভিক্ষাবৃত্তি, ৭ মাস পর মাহফিলে বাবার সঙ্গে দেখা
চুল কাটার জন্য বাবার কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল ১২ বছর বয়সী মো. রায়হান। এরপর কেটে গেছে প্রায় ৭ মাস। এই দীর্ঘ সময়ে ছেলের কোনো খোঁজ পাননি বাবা নাজিম উদ্দিন। অবশেষে স্থানীয় একটি মাহফিলের মাঠে বাবার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে ছেলে রায়হানের। রায়হানের বাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের সাতগড় গ্রামের নয়া পাড়ায়। তার পিতা নাজিম উদ্দিন পেশায় একজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক। দীর্ঘদিন আগে রায়হানের মায়ের সঙ্গে তার বাবার বিচ্ছেদ হয়। নিখোঁজের আগে সে তার সৎ মায়ের সঙ্গে বসবাস করত বলে জানা গেছে।

পরিবারের অভিযোগ, নিখোঁজ হওয়ার পর রায়হান কক্সবাজারে গিয়ে একটি চক্রের কবলে পড়ে। মূলত ওই চক্রের সদস্যরা তাকে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে নিয়ে কৌশলে ডান পা কেটে তাকে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করেছে। বর্তমানে রায়হান শারীরিকভাবে পঙ্গু হয়ে বাড়ি ফিরেছে। তার ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছে পরিবারটি।
মো. রায়হান অভিযোগ করে বলে, আমি চুল কাটার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছিলাম। সেখান থেকে পালিয়ে কক্সবাজার চলে যায়। এরপর কিছু ছেলের সঙ্গে ট্রেনের ছাদে করে কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়েছিলাম। কিছু লোক আমাকে চারপাশে বাগান এবং মাঝখানে একটি ঘর- এমন একটি জায়গায় নিয়ে যায়। সেখানে আমার মতো আরও অনেক ছেলে-মেয়ে ছিল। একদিন রাতে আমি সেখানে তাদের সঙ্গে ঘুমিয়েছিলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার একটি পা নেই। তখন আমি এর কারণ জানতে চাইলে তারা আমাকে জানায়, আমি নাকি ট্রেনে এক্সিডেন্ট করেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd