• মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সুনামগঞ্জে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ৪১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা — সভাপতি আল হেলাল, সম্পাদক কামরুল পুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে ডেঙ্গু প্রতিরোধ সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে কাঁঠালিয়ায় মাসব্যাপী চক্ষু সেবা শুরু সাভারে ৪ সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও মিথ্যা মামলায় কারাগারে প্রেরণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন নেত্রকোনায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা নেত্রকোণায় পিআইবির ৩ দিনের এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন শেরপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা রফিকুল ইসলাম মাদানীর পরিচয়ে প্রতারণা: ভুয়া শালিকা সেজে টাকা আদায়, মূলহোতা গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৫৪ জন গ্রেপ্তার পূর্বধলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

পুঠিয়ায় চাকরি দেওয়ার নামে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা ও জমি আত্মসাতের অভিযোগ

Reporter Name / ৬৭ Time View
Update : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

মোঃ মুনজুর রহমান, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ভাল্লুকগাছি ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা ও জমি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল রোববার (৪ অক্টোবর) ওই প্রতিষ্ঠানে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া চলাকালে পুরনো প্রতারণার অভিযোগে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, চাকরির লোভ দেখিয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা ও জমি লিখে নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবাদে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় এলাকাবাসী বিদ্যালয়ের মূল ফটকে বাঁশের বেড়া দিয়ে প্রবেশপথ বন্ধ করে দেন এবং খেলার মাঠে কলা গাছ রোপণ করেন।

জানা যায়, ২০২০ সালে মিলন আহমেদ নামে এক ব্যক্তিকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ও জমি রেজিস্ট্রি করে নেন প্রধান শিক্ষক। তাকে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে ৪ বছর পাঠদানও করানো হয়। পরে চাকরি স্থায়ী না করে টাকা ও জমি কোনোটাই ফেরত দেননি।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মিলন আহমেদ বলেন, “২০২০ সাল থেকে আমি ওই প্রতিষ্ঠানে যুক্ত। ৪ বছর পাঠদান করিয়েছি। প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা আমাকে যে নিয়োগপত্র দিয়েছিলেন, সেটা ভুয়া। তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। আমার টাকা আত্মসাৎ করেছেন।”

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবু তৌহিদ মাস্টার বলেন, “এ নিয়ে গ্রামে একাধিকবার সালিশ হয়েছে। সালিশে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষক এখন পর্যন্ত কোনো টাকা ফেরত দেননি।”

এ বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লিয়াকত সালমান বলেন, “আমার নির্দেশে বিদ্যালয়ের পরিবেশ এখন শান্ত রয়েছে। দুই পক্ষের সঙ্গেই কথা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করব। অপরাধ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd