আবুল হাশেম, রাজশাহী:
রাজশাহীর বাঘায় অল্টারইউথ সংস্থার আয়োজনে ১০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও মোবাইল ফোন বিতরণ করা হয়েছে। বৃত্তির আওতায় প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অভিভাবককে একটি করে মোবাইল ফোন দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রতি মাসে ১ হাজার ৪০০ টাকা করে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে এসব উপহার তুলে দেওয়া হয়।
আয়োজকরা জানান, পর্যায়ক্রমে বাঘা উপজেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এ কার্যক্রমের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহায়তা, প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করা এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এবার শিক্ষাবৃত্তিপ্রাপ্ত ১০ শিক্ষার্থী হলো—শাফিন ইসলাম, উম্মে হাফসা, ইসতিহার আহাম্মেদ, নাফিউল শিকদার, ফাতেমা খাতুন, আবিদ হাসান, নুসরাত জাহান, ইসরাত জাহান সুমাইয়া, ইশা খাতুন ও আফরিন তুবা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সভাপতি ও বাঘা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল লতিফ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাবিল হোসেন, সহকারী শিক্ষিকা ফিরোজা খাতুন, সহকারী শিক্ষক একরামুল হকসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে আব্দুল লতিফ বলেন, “শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু অর্থনৈতিক সহায়তা নয়, শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সুযোগ তৈরি করাও সময়ের দাবি। অল্টারইউথের এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি প্রযুক্তির সুবিধা কাজে লাগাতে পারবে। পর্যায়ক্রমে বাঘা উপজেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হলে এটি শিক্ষাক্ষেত্রে আরও বড় ভূমিকা রাখবে।”
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা জানান, মোবাইল ফোন পেয়ে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। সন্তানদের পড়াশোনার প্রয়োজনীয় কাজে মোবাইল ফোনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি প্রতি মাসে ১ হাজার ৪০০ টাকা করে শিক্ষাবৃত্তি পাওয়ায় সন্তানদের পড়াশোনার খরচ মেটাতে তা সহায়ক হবে বলেও তারা জানান।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনায় উৎসাহিত করা এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে তাদের শিক্ষাজীবনকে আরও এগিয়ে নেওয়াই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।