মোঃ রায়হান পারভেজ নয়ন, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তা নদীর পানি ক্রমেই বেড়ে চলায় নদী পাড়ের মানুষের মাঝে ভয় ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। ভাঙনের আশঙ্কায় তারা রাতের পর রাত জেগে কাটাচ্ছেন, শান্তিতে ঘুমাতে পারছেন না। দিনের আলোয় চোখের সামনেই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে একরের পর একর আবাদি জমি, হারিয়ে যাচ্ছে ফসল আর বসতভিটা।
গয়াবাড়ী ইউনিয়নের কৃষক মোঃ আব্দুল আমিন মোল্লা,ও মোঃরফিকুল ইসলাম , জনকথা প্রতিনিধীকে যানান।
প্রতিদিন ভাঙনের শব্দে বুক কেঁপে ওঠে। আজ জমি গেল, কাল হয়তো ঘরবাড়ি যাবে— এই ভয়ে দিন কাটাচ্ছি।”
স্থানীয়র আরও অনেকে জানান, বছরের পর বছর নদীর খেয়াল-খুশি মেনে জীবনযাপন করতে হচ্ছে তাদের। পানি বৃদ্ধি ও ভাঙনের এই অনিশ্চয়তা কবে কাটবে, তা কেউ জানে না। তবু হতাশার মাঝেও তারা বাঁচিয়ে রেখেছেন একটি বড় আশা— তিস্তা মহা পরিকল্পনা।
সরকার ঘোষিত প্রায়১২,০০০ কোটি টাকার এই বৃহৎ প্রকল্পে তিস্তা নদী খনন, বাঁধ নির্মাণ ও নদী তীর রক্ষার কাজ করা হবে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নদীপাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমে যাবে, বন্ধ হবে ভাঙন, আর নতুন করে গড়ে উঠবে তাদের স্বপ্নের জীবন।
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, “তিস্তা মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে শুধু ভাঙন নয়, কৃষি, মৎস্য ও পর্যটন খাতেও বড় ধরনের উন্নয়ন হবে।