• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
দৈনিক ভয়েজ অব টাইগারের সাংবাদিকরা খুলনা আর্ট একাডেমি পরিদর্শন করেন পৌর বিএনপির সভাপতি আমিরুল বাহার কে সংবর্ধনা দিয়েছে এমপি মনজুরুল ইসলামসহ নেতাকর্মীরা ইবনে সিনা ন্যাচারাল মেডিসিনের উদ্যোগে খুলনায় এনজিকিউ এবং কায়রোক্যাপ প্রোডাক্টের সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত বিশ্বনাথের খাজাঞ্চিতে আলহাজ্ব লজ্জতুন নেছা উচ্চবিদ্যালয় এন্ড কলেজের উদ্বোধনী ও সংবর্ধনা সফলের লক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত জগন্নাথপুরে ব্রিটিশ বাংলা ট্রাস্টের শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে সেলাই মেশিন বিতরণ জগন্নাথপুরে জমিতে রোপনকৃত আমন ধানের চারা উপরে ফেলা নিয়ে উত্তেজনা আসন্ন পূর্বধলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মৎস্যজীবী দলের নেতা মোহাম্মদ আলী সুনামগঞ্জে ২৬ লাখ ৮০ হাজার ভারতীয় নাসির বিড়িসহ পিকআপ জব্দ, গ্রেফতার ১ নিয়ামতপুরে টাস্কফোর্স অভিযানে ৪ মাদকসেবীকে দণ্ড প্রদান নীলফামারীতে উন্নয়নের গতি বাড়াতে নতুন সমন্বয় কমিটি, সভাপতি জেলা প্রশাসক

নিখোঁজের ৭ মাস পর সীরতুন্নবী সাঃ মাহফিলে মিলল রায়হানকে

Reporter Name / ১৩ Time View
Update : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন, চট্টগ্রাম:

নিখোঁজ শিশুর পা কেটে করানো হয় ভিক্ষাবৃত্তি, ৭ মাস পর মাহফিলে বাবার সঙ্গে দেখা
চুল কাটার জন্য বাবার কাছ থেকে ১০০ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল ১২ বছর বয়সী মো. রায়হান। এরপর কেটে গেছে প্রায় ৭ মাস। এই দীর্ঘ সময়ে ছেলের কোনো খোঁজ পাননি বাবা নাজিম উদ্দিন। অবশেষে স্থানীয় একটি মাহফিলের মাঠে বাবার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে ছেলে রায়হানের। রায়হানের বাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের সাতগড় গ্রামের নয়া পাড়ায়। তার পিতা নাজিম উদ্দিন পেশায় একজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক। দীর্ঘদিন আগে রায়হানের মায়ের সঙ্গে তার বাবার বিচ্ছেদ হয়। নিখোঁজের আগে সে তার সৎ মায়ের সঙ্গে বসবাস করত বলে জানা গেছে।

পরিবারের অভিযোগ, নিখোঁজ হওয়ার পর রায়হান কক্সবাজারে গিয়ে একটি চক্রের কবলে পড়ে। মূলত ওই চক্রের সদস্যরা তাকে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে নিয়ে কৌশলে ডান পা কেটে তাকে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করেছে। বর্তমানে রায়হান শারীরিকভাবে পঙ্গু হয়ে বাড়ি ফিরেছে। তার ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছে পরিবারটি।
মো. রায়হান অভিযোগ করে বলে, আমি চুল কাটার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছিলাম। সেখান থেকে পালিয়ে কক্সবাজার চলে যায়। এরপর কিছু ছেলের সঙ্গে ট্রেনের ছাদে করে কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়েছিলাম। কিছু লোক আমাকে চারপাশে বাগান এবং মাঝখানে একটি ঘর- এমন একটি জায়গায় নিয়ে যায়। সেখানে আমার মতো আরও অনেক ছেলে-মেয়ে ছিল। একদিন রাতে আমি সেখানে তাদের সঙ্গে ঘুমিয়েছিলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার একটি পা নেই। তখন আমি এর কারণ জানতে চাইলে তারা আমাকে জানায়, আমি নাকি ট্রেনে এক্সিডেন্ট করেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd