হারাধন সূত্রধর, ব্যুরো প্রধান, ময়মনসিংহ:
নেত্রকোণার পূর্বধলায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী শ্যামাপূজা। এ উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ‘এসো হে পূজা করি উদযাপন কমিটি’। আয়োজনে থাকছে শ্যামা মায়ের বন্দনা, পূজার্চনা, প্রসাদ বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আরতি প্রতিযোগিতা।
আয়োজক কমিটির আমন্ত্রণপত্র সূত্রে জানা গেছে, পূর্বধলা উপজেলার পূর্বধলা বাজার খাদ্যগুদাম রোডে এ পূজার আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ৮ নভেম্বর রোববার শুরু হয়ে ১০ নভেম্বর মঙ্গলবার পর্যন্ত চলবে তিন দিনব্যাপী এ আয়োজন।
প্রথম দিন: ৮ নভেম্বর, রোববার
প্রথম দিন রাত ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে শ্রীশ্রী শ্যামা মায়ের বন্দনা। এরপর রাত ১১টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে পূজার্চনা।
দ্বিতীয় দিন: ৯ নভেম্বর, সোমবার
দ্বিতীয় দিন দুপুর ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে প্রসাদ বিতরণ। পরে রাত ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
তৃতীয় দিন: ১০ নভেম্বর, মঙ্গলবার
তৃতীয় দিন অনুষ্ঠিত হবে আরতি প্রতিযোগিতা। এ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্ব সম্পন্ন হবে।
আয়োজক কমিটির দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা
‘এসো হে পূজা করি উদযাপন কমিটি’র সম্মানিত সভাপতি বাবু অমিত দাস। সহসভাপতি বাবু উত্তম সরকার, বাবু গোপাল চৌহান ও বাবু ঝন্টু রায়। সাধারণ সম্পাদক বাবু সুশান্ত সাহা। সহসাধারণ সম্পাদক বাবু কাজল সরকার ও বাবু প্রদীপ দাস।
কোষাধ্যক্ষ বাবু সুব্রত দাস (গৌতম)। সহকোষাধ্যক্ষ বাবু সোহাগ চৌহান, হৃদয় গৌড় ও বাবু পলাশ সরকার। সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু গৌরব সাহা ও বাবু পল্লব সাহা।
সম্মানিত সদস্যবৃন্দ: বাবু পরাগ সাহা, বাবু অনিক চৌহান, বাবু আকাশ সরকার, বাবু মুগ্ধ সাহা, বাবু অভি দত্ত ও বাবু অভয় চৌহান।
সম্মানিত উপদেষ্টা মণ্ডলী: শ্রী ক্ষিতীশ সাহা, শ্রী দুলাল সাহা, শ্রী রতন দাস, শ্রী রণজিৎ সরকার, শ্রী লিটন সরকার, শ্রী গৌতম সাহা, শ্রী মন্টু চৌহান ও শ্রী লিখন সাহা।
সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা পূজা পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনুষ্ঠানের সময়সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে।
ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি প্রসাদ বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আরতি প্রতিযোগিতাকে ঘিরে পূজামণ্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হবে বলে আশা করছেন আয়োজকেরা। শ্যামা মায়ের আরাধনার মধ্য দিয়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।