• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

ভান্ডারকোট-লক্ষ্মীখোলা-ঝিনাইখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬৫তম বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু

Reporter Name / ১৪৭ Time View
Update : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

 

ব্যুরো প্রধান খুলনা

“শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতি”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ভান্ডারকোট-লক্ষ্মীখোলা-ঝিনাইখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কুটিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যৌথ আয়োজনে দুই দিনব্যাপী ৬৫তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬ শুরু হয়েছে।
বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের প্রথম দিন বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠান চলবে ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব থান্দার কামরুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সভাপতি, ভান্ডারকোট-লক্ষ্মীখোলা-ঝিনাইখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বটিয়াঘাটা, খুলনা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ জাহিদুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, বটিয়াঘাটা, খুলনা এবং জনাব শিকদার জার্জিস হোসেন, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (বালিয়াডাঙ্গা ক্লাস্টার), বটিয়াঘাটা, খুলনা।
অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন জনাব শওকাত আলী মল্লিক, প্রধান শিক্ষক, কুটিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভান্ডারকোট, বটিয়াঘাটা, খুলনা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাবু শংকর প্রসাদ সরকার, প্রধান শিক্ষক, ভান্ডারকোট-লক্ষ্মীখোলা-ঝিনাইখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বটিয়াঘাটা, খুলনা।
প্রথম দিনের খেলাধুলা শেষে বিশেষ অতিথি জনাব মোঃ জাহিদুর রহমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি দেশপ্রেম, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।”
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সুধীজনেরা উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন। আনন্দঘন পরিবেশে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পুরো বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পরিসমাপ্তি ঘটবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd