শাহ্ ফুজায়েল আহমদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ
সুনামগঞ্জ–৩ (জগন্নাথপুর–শান্তিগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের তালা প্রতীকের সমর্থনে শান্তিগঞ্জে ব্যাপক গণমিছিল ও নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের উজানীগাঁওস্থ নির্বাচনী কার্যালয় থেকে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে একটি বিশাল প্রচার মিছিল বের করা হয়।
মিছিলটি সিলেট–সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট অতিক্রম করে শান্তিগঞ্জ বাজার প্রদক্ষিণ শেষে মাহবুবা কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন মাঠে গিয়ে এক জনসভায় মিলিত হয়। এতে কয়েক সহস্রাধিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
নির্বাচনী জনসভায় সলিবনুর বাচ্চুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলী আহমদ, অবসরপ্রাপ্ত মেজর আশফাক শামী, যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা এম এ কাহার, জগন্নাথপুর উপজেলার হবিবপুর গ্রামের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের নির্বাহী সদস্য মোঃ আবীবুল বারী আয়াহান, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজ সেবক এম কয়েছ আহমদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সামিনুর রহমান, শান্তিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক ফরিদুর রহমান ফরিদ এবং জয়কলস ইউনিয়নের দুইবারের সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদ মিয়া প্রমুখ।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জিয়াউর রহমান জিয়া, শফিকুল ইসলাম, রুকন আহমদ, ময়না মিয়া, আব্দুল লতিফ, সুজন আহমদ, মহিউদ্দিন, আব্দুল হেকিম ও ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
সভায় শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত দল মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি তালা প্রতীকের পক্ষে জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমি জন্ম থেকে এই এলাকার মানুষ। আপনাদের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুরের মানুষের অধিকার আদায় এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখব। রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, বরং জনগণের সেবা করার একটি মাধ্যম।
তিনি আরও বলেন, “শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুরকে একটি আধুনিক, শিক্ষিত ও উন্নয়নসমৃদ্ধ জনপদে রূপান্তর করতে হলে সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব প্রয়োজন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমি আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও তালা প্রতীকে আপনাদের মহামূল্যবান ভোট প্রত্যাশা কামনা করছি।
গণমিছিল ও জনসভা ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং প্রার্থীর সমর্থনে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়।