• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নতুন কমিটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত সভাপতি খলিল, তরুণ সাংবাদিকদের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির পৃথক অভিযানে ইস্কাফসহ হেরোইন ও গাঁজা আটক পাঁচবিবির যমুনা নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত নেত্রকোণায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ডিমলা-পাটগ্রামে বিজিবির অভিযান: ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, বিদেশি মদ জব্দ নেত্রকোনায় থামছে না বাল্যবিয়ে, ১১ মাসে বন্ধ হলো ২১টি বিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের (সিজন-২) উদ্বোধন ধামইরহাটে সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভার সন্ধানে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের যাত্রা সিংগাইরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন পূর্বধলায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন, ফুটবলে ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের জয়

দেওয়ান ফিলিং স্টেশনে তেল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

Reporter Name / ১১০ Time View
Update : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

 

মোঃ রায়হান পারভেজ নয়ন
স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী

নীলফামারীর বাদিয়ার মোড়ে অবস্থিত দেওয়ান ফিলিং স্টেশনে তেল উত্তোলন ও বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতা ও তদারকির ঘাটতিতে পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকেল ৩টা থেকে স্টেশনটিতে তেল বিতরণ শুরু হয়। তবে বিতরণকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার অসুস্থতার অজুহাতে অনুপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে তেলের গাড়ি থেকে কত পরিমাণ তেল আনলোড করা হয়েছে এবং মেশিনের রিডিং কত ছিল—এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তদারকির জন্য কোনো কর্মকর্তাকে দেখা যায়নি।

তথ্যমতে, ওইদিন পার্বতীপুর ডিপো থেকে স্টেশনটিতে ৪৫০০ লিটার ডিজেল ও ৩৫০০ লিটার পেট্রোল সরবরাহ করা হয়। তবে পেট্রোলবাহী গাড়ি থেকে প্রকৃতপক্ষে কতটুকু তেল আনলোড হয়েছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তেলের মজুত, উত্তোলন ও বিতরণ সংক্রান্ত কোনো তথ্য স্টেশনের দৃশ্যমান বোর্ডে প্রদর্শন করা হয় না, যা স্বচ্ছতার পরিপন্থী।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দেওয়ান ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সুমন আহমেদ বলেন, “সাংবাদিকদের এসব তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। আমরা প্রশাসনকে রিপোর্ট করি।” তাঁর এমন বক্তব্যে দায়িত্ব এড়ানোর প্রবণতা স্পষ্ট বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, তেল সরবরাহের শুরুতে মেশিনের রিডিং এবং বিক্রয় শেষে রিডিং সঠিকভাবে প্রকাশ না করলে মাঝখানে কারচুপির সুযোগ থেকে যায়। কেবল প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট দিয়ে দায়সারা মনোভাব দেখালে প্রকৃত চিত্র আড়ালেই থেকে যেতে পারে।

এছাড়া বিতরণ কার্যক্রম চলাকালে প্রশাসনের দৃশ্যমান নজরদারিও লক্ষ্য করা যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে করে প্রশ্ন উঠেছে—প্রাপ্ত পেট্রোলের পুরোটা কি আদৌ বিতরণ হয়েছে, নাকি কাগজে-কলমেই হিসাব দেখানো হচ্ছে?

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল ফোনে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd