• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সাংবাদিকের গায়ে হাত? ধর্মতলা কাঁপিয়ে জবাব দিল সাংবাদিক সমাজ জগন্নাথপুরে প্রথমবারের মতো কৃষি ঋণ বিতরণ শুরু করলো সকল ব্যাংক জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা চট্রগ্রামের কিডস্ ক্লাবের বড় সাফল্য কবিতাঃ জগৎ জিততে হবে ​মুক্তিযোদ্ধারা কাঁদলে বাংলাদেশও কাঁদবে: এমপি আমীর এজাজ খান জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির জরুরী সভা: ১০ আগস্টের মধ্যে ওয়ার্ড কমিটি জমার নির্দেশ তাহিরপুরে জমি বিরোধে মামলা করায় নারীসহ ৬ জনকে কুপিয়ে জখম রত্নগর্ভ পিতা-মাতাসহ সায়মাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন লোহাগাড়া ভবন মালিক এসোসিয়েশন বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন, প্রেমিক পলাতক, বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকি জারিকারক পদে লিখিত পরীক্ষায় অন্যের প্রক্সি দিতে গিয়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড, শিক্ষক জুয়েল রানাকে নিয়ে প্রশ্ন

কিশোরগঞ্জে শীতের আমেজ টাটকা খেজুর রসের সন্ধানে রসপ্রেমীদের ঢল

Reporter Name / ৩৯৪ Time View
Update : রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

 

মোঃ মাহ্ফুজুল হক খান (জিকু)​ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

​শীতকাল মানেই বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ খেজুরের রস। শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথেই কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় এখন খেজুরের রস সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় গাছিরা। প্রচণ্ড শীত আর ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করে টাটকা, মিষ্টি রসের স্বাদ নিতে রসপ্রেমীরা ভিড় করছেন খেজুর বাগানগুলোতে।
​পাকুন্দিয়া উপজেলার নারান্দী গ্রামসহ অন্যান্য এলাকায় গ্রামীণ রাস্তার দুই পাশে সারি সারি খেজুর গাছ চোখে পড়ে। এসব গাছে ঝুলে থাকা রসের হাঁড়িগুলো প্রতিদিন নামিয়ে আনেন গাছিরা। ভোরের আলো ফোটার আগেই প্রচণ্ড শীত আর কুয়াশার মধ্যেই শুরু হয় রস সংগ্রহের তোড়জোড়। টাটকা রসের স্বাদ নিতে নানা বয়সি মানুষ অপেক্ষা করে রসের হাঁড়ির নিচে।
​এলাকার সকল গাছিরা নন্দিত টেলিভিশন কে জানান রস সংগ্রহ এবং বিক্রিতে চরম ব্যস্ত। শীত এলেই গাছ থেকে রস সংগ্রহের এই ধুম পুরো এলাকাকে এক উৎসবের মেজাজ এনে দেয়।
​খেজুর রসের প্রতি ভালোবাসা এতটাই যে, রসপ্রেমীরা দূর-দূরান্ত থেকে কুয়াশা ভেদ করে ছুটে আসছেন টাটকা রসের স্বাদ নিতে। দল বেঁধে তাজা রস পান করতে আসা যেন এক আনন্দময় উৎসবে পরিণত হয়েছে।
​রস বিক্রেতা জুয়েল মিয়া নন্দিত টেলিভিশন কে জানান,রসের চাহিদা এতটাই বেশি যে,ভোরের আলো ফোটার আগেই তা শেষ হয়ে যায়। ​গাছিরা নন্দিত টেলিভিশন কে জানান, প্রতিদিন যে পরিমাণ রস সংগ্রহ হচ্ছে, তা দিয়ে চাহিদার জোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। পাকুন্দিয়া উপজেলার নারান্দি ও হোসেন্দি ইউনিয়নে ছোট-বড় ৮৫টি গাছ থেকে দৈনিক প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ কেজি খেজুর রস সংগ্রহ করা হচ্ছে।
​যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় এখন অনেক দূর থেকেও অতিথিরা রস খেতে আসছেন। কিন্তু সেই তুলনায় খেজুর গাছের সংখ্যা কম। গাছিরা মনে করেন, এলাকায় খেজুর গাছের সংখ্যা বাড়ানো গেলে এই ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানো এবং সবার কাছে টাটকা রস পৌঁছে দেওয়া সহজ হতো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd