• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
মুদি দোকানের আড়ালে মাদক ব্যবসা ৩০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ পূর্বধলায় শিশুশ্রম, ঝরে পড়া ও অপুষ্টি রোধে মতবিনিময় সভা বীরগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সিংগাইরে পৃথক অভিযানে মোবাইল কোর্টে মাদকসেবীর কারাদন্ড, দুই কারখানা বন্ধ স্রোতিজাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধে সিংড়ায় প্রশাসনের অভিযান লোহাগাড়ায় দৈনিক দিনকাল পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত গোয়াইনঘাটে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন কোওর বাজার উচ্চ বিদ্যালয় নিখোঁজের ৭ মাস পর সীরতুন্নবী সাঃ মাহফিলে মিলল রায়হানকে রাণীশংকৈলে মাদক বিরোধী অভিযানে ২৬০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ শিক্ষকতা ও সাহিত্যচর্চায় অবদানের স্বীকৃতি, ‘ভাঙড় রত্ন’ সম্মাননা পেলেন মহম্মদ মফিজুল ইসলাম

সাংবাদিকের গায়ে হাত? ধর্মতলা কাঁপিয়ে জবাব দিল সাংবাদিক সমাজ

Reporter Name / ১০২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা থেকে:

কর্তব্যরত সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ২৮ জুলাই ধর্মতলা কাঁপিয়ে দিল শিক্ষা সংস্কৃতি ও সুরক্ষা মঞ্চ। সাংবাদিক সমাজের পাশে দাঁড়িয়ে “রাষ্ট্র বাঁচাও” স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে কলকাতার রাজপথ।

মঞ্চের আহ্বানে সকাল সাড়ে ১১টায় শিয়ালদা স্টেশন ও হাওড়া স্টেশনে জমায়েত হয়ে মিছিলটি ধর্মতলা পর্যন্ত যায়।

মঞ্চের অভিযোগ, ২৪ জুলাই বামপন্থী সংগঠনের মহা মিছিলে ছাত্র-যুব-সাংবাদিকদের উপর হামলা চালিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। সেই চক্রান্ত ব্যর্থ করতেই আজকের এই প্রতিবাদ।

মহা মিছিলে কয়েক হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও কর্মচারী অংশ নেন। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সংগঠন ছাড়াও এবিভিপি ও এবিআরএসএম-এর সদস্যরাও মিছিলে সামিল হন। মঞ্চের পক্ষ থেকে সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, “মিছিলের নামে হিংসাত্মক ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রীকে কুৎসিতভাবে আক্রমণ করে এবং ব্যঙ্গ করে ছবি পোস্টারে ব্যবহার করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র ধিক্কার জানাই।”

তারা আরও বলেন, “এখন কেন্দ্রীয় সরকার শুধু দিল্লিতে নয়, পশ্চিমবঙ্গেও আছে। শিক্ষাকে হাতিয়ার করে অশান্তি করলে ছেড়ে কথা বলা হবে না। সময়ই তার জবাব দেবে।”

যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত এবং দূর থেকে উস্কানি দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ব্যবস্থা নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন বক্তারা। দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা বন্ধ করার আহ্বান জানান তারা।

মিছিল থেকে কর্তব্যরত সাংবাদিকদের হেনস্থা বন্ধের দাবি ওঠে। বক্তারা বলেন, “যারা মানুষের কাছে সত্যি খবর পৌঁছে দেন, সেই সাংবাদিকদের ‘গদি মিডিয়া’ বলে আক্রমণ করা হচ্ছে। আমরা বারবার এটা হতে দেব না। আজ শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও কর্মচারী ইউনিয়ন সবাই একসাথে প্রতিবাদে সরব হয়েছি।”

ধর্মতলার ডরিনা ক্রসিং থেকে লেনিন মূর্তি হয়ে রানি রাসমণি পর্যন্ত জাতীয় পতাকা হাতে “বন্দেমাতরম” স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে। মিছিলের কারণে ওই এলাকায় বেশ কিছুক্ষণ যান চলাচল স্তব্ধ থাকে। পথচলতি মানুষও যানজটে আটকে পড়েন। প্রশাসনের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল শেষ হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd