মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম
লোহাগাড়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া নিয়ে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে ক্রমেই বাড়ছে অসন্তোষ। জ্বালানির দাম কমে গেলেও অনেক রুটে এখনো আগের বাড়তি ভাড়াই আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রতিদিন কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াতকারী মানুষ বাড়তি আর্থিক চাপের মুখে পড়ছেন।
গত মাসে সিএনজির গ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০ টাকায় উন্নীত হলে চুনতি থেকে আমিরাবাদসহ লোহাগাড়ার বিভিন্ন সড়কে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া বাড়ানো হয়। তখন পরিস্থিতির বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে অধিকাংশ যাত্রী কোনো অভিযোগ ছাড়াই অতিরিক্ত ভাড়া পরিশোধ করেছিলেন।
কিন্তু বর্তমানে গ্যাসের দাম কমে প্রতি লিটার ৭০ টাকায় নেমে এলেও অনেক রুটে সেই অতিরিক্ত ভাড়াই বহাল রয়েছে। ফলে যাত্রীদের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে জ্বালানির মূল্য কমার সুফল কি শুধু চালকরাই ভোগ করবেন, নাকি সাধারণ যাত্রীরাও তার ন্যায্য সুবিধা পাবেন?
স্থানীয়দের মতে, জ্বালানির দাম বাড়লে যেমন ভাড়া সমন্বয় করা হয়, তেমনি দাম কমলেও ভাড়া পুনর্নির্ধারণ হওয়া উচিত। এতে চালক ও যাত্রীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় হবে।
সিএনজি চালকদের প্রতি যাত্রীদের বিনীত আহ্বান, বর্তমান জ্বালানি মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভাড়া পুনর্বিবেচনা করুন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিও অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে যৌক্তিক ভাড়া নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করুন। কারণ, ন্যায্য ভাড়া নিশ্চিত হলে চালক ও যাত্রী উভয় পক্ষের স্বার্থই সুরক্ষিত থাকবে এবং গণপরিবহন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাও আরও দৃঢ় হবে।