• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সিংগাইরে স্কুলছাত্রী মারিয়ার মৃত্যুর হত্যা মামলা: ময়নাতদন্তে আত্মহত্যা, জেল খাটলেন শিক্ষক ও সাংবাদিক যুক্তরাজ্যে বিশ্বনাথ ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় উপেক্ষা: মোহাম্মদপুরে পুনর্বাসনের নামে ২৮৮ পরিবারের সাথে চরম প্রতারণার অভিযোগ বলিবাজারে মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ল ১২ দোকান, ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা কর্মস্থল ছেড়ে মধুপুরে ২৩ শিক্ষক: ছুটির বিধি লঙ্ঘন ও হাজিরায় গরমিল সিংগাইরে কামুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জাল ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ, এলাকায় তোলপাড়! তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মানবসম্পদ- শিক্ষামন্ত্রী গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান: ৮ ড্রেজার ধ্বংস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে মাইক্রোবাস, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে উদ্ধারে গিয়ে মিলল ১৪০ বোতল ফেনসিডিল রাণীশংকৈলে মাদক-জুয়া-চুরি ঠেকাতে মাঠে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের

জগন্নাথপুরে জমিতে রোপনকৃত আমন ধানের চারা উপরে ফেলা নিয়ে উত্তেজনা

Reporter Name / ৬৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে জমিতে রোপনকৃত আমন ধানের চারা উপরে ফেলে দিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি ঘটেছে, জগন্নাথপুর উপজেলার ঘোষগাঁও গ্রামের হাওরে।
১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সরেজমিনে স্থানীয়রা জানান, ঘোষগাঁও গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী সমুজ মিয়ার ব্যক্তিগতভাবে খরিদা জায়গা ও বাড়ি রকম অনেক সম্পত্তি রয়েছে। প্রবাসী সমুজ মিয়া মারা গেলে তার স্ত্রী যুক্তরাজ্য প্রবাসী ছালেহা বেগম ও সন্তান প্রবাসী সামছু মিয়া এবং রুবেল মিয়া ওয়ারিশান হিসেবে এসব সম্পত্তির মালিক হন। তারা কাগজপত্রে লিখিতভাবে এসব সম্পত্তি দেখাশোনার জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ করেন মৃত প্রবাসী সমুজ মিয়ার ছোট ভাই ঘোষগাঁও গ্রামের ফিরোজ মিয়াকে। এ নিয়ে এলাকায় শালিসের মাধ্যমে ফিরোজ মিয়াকে প্রবাসীদের সম্পত্তি দেখাশোনার দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হয়। দায়িত্ব পেয়ে ফিরোজ মিয়া তাদের দুই কেদার আমন জমি রোপন করেন। এতে বাধ সাধেন মৃত প্রবাসী সমুজ মিয়ার বোন ফ্রান্স প্রবাসী মালা বেগম ও দেশে থাকা কনই বেগম। তারা প্রবাসীর এসব সম্পত্তি ভোগ দখলে গেলে ফিরোজ মিয়াকে বাধা দেন।
এ বিষয়ে ফিরোজ মিয়া বলেন, আমি জমিতে আমন ধানের চারা রোপন করেছি। এসব রোপনকৃত চারা আমার বোন মালা বেগম ও কনই বেগমের লোকজন উপরে ফেলে দিয়েছে। আমাদের প্রবাসী মৃত ভাই সমুজ মিয়ার খরিদা সম্পত্তিতে আমরা ভাই-বোন কোন ভাগ পাই না। এসব সম্পত্তির মালিক তার স্ত্রী ও সন্তানেরা। তারা তাদের সম্পত্তি দেখাশোনার দায়িত্ব আমাকে দেয়ায় আমার বোনেরা তাদের লোকজন দিয়ে আমাকে নানাভাবে হয়রানী করছে। যা কোন অবস্থায় কাম্য নয়। এদিকে-চেষ্টা করেও প্রতিপক্ষের কারো সাথে যোগাযোগ করা বা মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd