• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নীলফামারীর সাবেক শিক্ষক ইউসুফ আলী নিহত সাতকানিয়ায় জায়গা-জমির বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় ইউনুস নামে একজন নিহত ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্টের অভিযোগে লোহাগাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু ২০১৭ সালে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা, ৯ বছর পর সেই রাণীশংকৈলের ইউএনও গোলাম রব্বানী ডিমলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ধনঞ্জয় রায়কে শুভেচ্ছা খুলনা আর্ট একাডেমির সিংগাইরে দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে অবৈধ চায়না জালের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ত্রাণমন্ত্রী দুলু নিয়ামতপুরে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

ডিমলায় তিস্তা নদীতে অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে গিয়ে সংঘর্ষ, চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতাসহ আহত অন্তত ২০

Reporter Name / ১০৬ Time View
Update : শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তা নদীতে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে গিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের একতা বাজার ও তেলিবাজার সংলগ্ন তিস্তা নদীর চরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র বোমা মেশিন ব্যবহার করে তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করে আসছিল। এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে নানা অভিযোগ উঠলে টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা দেন।
এরই মধ্যে বুধবার সকালে আবারও নদী থেকে পাথর উত্তোলনের খবর পেয়ে চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন গ্রাম পুলিশের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এ সময় পাথর উত্তোলনকারী চক্রের সদস্যরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালালে পরিস্থিতি দ্রুত সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন। এছাড়া সাবেক ইউনিয়ন জামায়াত নেতা আফসার আলী, আনোয়ার হোসেন, লোকমান, পুলিশ সদস্য রবিউল ইসলাম ও ঠাকুরদাস, ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের নীলফামারী প্রতিনিধি আরেফিন এবং ক্যামেরাম্যান আবু রায়হানসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।
আহতদের ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত চেয়ারম্যানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ সময় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ক্যামেরা ও একটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। পাশাপাশি উত্তেজিত পাথর উত্তোলনকারীরা পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে বলেও জানা গেছে।
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরানুজ্জামান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।
ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শওকত আলী সরকার বলেন, অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে গেলে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd