• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন : র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নিয়ামতপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ মাদকসেবীর দণ্ড ডোমারে ইয়াবা-গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক বান্দরবান প্রেস ক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন, নতুন নেতৃত্বকে অভিনন্দন নেত্রকোনা সীমান্তে টিকে থাকার লড়াই: পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনে পানি ও খাদ্য সংকট দুর্যোগ মোকাবিলায় উদ্ভাবনী প্রস্তুতি জোরদারের আহ্বান জেলা প্রশাসকের বারোমারী মিশনে ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসবের প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সের আরআই তারা মিয়ার বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা WHEN YOU FALL SILENT সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার পূর্বধলায় শিক্ষক-কর্মচারী ক্রেডিট ইউনিয়নের নির্বাচনে সমর্থন চায় রূপন-নিলয়-মোশারফ পরিষদ

পাহাড়ের বিভিন্ন বিহারে বৌদ্ধ ধর্মীয় ধর্মাবলম্বীদের প্রবারণা পূর্ণিমা উদ্‌যাপন ও বিশ্বশান্তি কামনায় প্রার্থনা

Reporter Name / ৩৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

থানচি উপজেলার পাহাড়েরও বিহারে বিহারে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে উদ্‌যাপিত হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা। রোববার (২৫ অক্টোবর) তিন মাসের বর্ষাবাসের সমাপ্তি উপলক্ষে আত্মশুদ্ধি, সংযম ও বিশ্বশান্তি কামনায় দিনটি পালন করছেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে প্রবারণা পূর্ণিমা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। তিন মাসের বর্ষাবাস শেষে এ পূর্ণিমায় বৌদ্ধ ভিক্ষুরা প্রবারণা সম্পন্ন করেন। এ উৎসবের মূল শিক্ষা হলো আত্মসমালোচনার মাধ্যমে নিজের ভুলত্রুটি সংশোধন, সত্যের পথে চলা এবং মৈত্রী, করুণা ও অহিংসার চর্চা করা।

২৬,২৭ অক্টোবর বিহারকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ ধর্মীয় উৎসব বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ধর্মীয় চেতনা, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করে। উৎসব উপলক্ষে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সব প্রাণীর সুখ, শান্তি ও মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করা হয়।

উৎসবের সঙ্গে প্রবারণা পূর্ণিমার পর বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আয়োজন কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ ধর্মীয় ঐতিহ্য, দানশীলতা ও মানবকল্যাণের চেতনা তুলে ধরা হয়।

প্রবারণা পূর্ণিমার অন্তর্নিহিত শিক্ষা মানুষের মধ্যে সহনশীলতা, শান্তি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করা। এ ধর্মীয় উৎসবের মধ্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd