প্রেম ফুল
কলমেঃ সাজেদা আক্তার মিতা
সত্যিই সন্মান-স্নেহ ,মায়া-মমতা, ভালোবাসা পাওয়া বর্তমানে ভাগ্যের ব্যাপার।
এই দুর্মূল্যের লক্করঝক্কর জামানায় কেউ কারো দিকে তাকানোর ফুরসত নাই।
চেনা-জানা,শোনা লোকের ব্যাপারে ও যেখানে সন্দেহ ;
সেখানে দেখা শোনা, এমনকি!
এই কয়েক বছরে ঈদ,জন্মদিনের শুভেচ্ছা বার্তা শুধু,
হাতে গোনা আট দশদিন কুশল বিনিময়,
বাকি আইডি পোস্টে লাইক,কমেন্ট করা।
তাতেই এতো,মায়া-মমতা,
ভালোবাসা, বিশ্বাস আমি বিস্মিত!
এ রকম একজন ঘর কোণে বাসিন্দা,
প্রেমের টানে ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছেন
অচেনা মানুষ, অচেনা পথে।
সত্যিই এই বিশ্বাস সম্মান,স্নেহ,ভালোবাসা
বিশাল পাওয়া আমার আলহামদুলিল্লাহ।
আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই ভাই,
সিনিয়র সাংবাদিক, কবি নুরুল ইসলাম (খোকন )
খুব আন্তরিক সজ্জনব্যক্তি, সহজ সরল মন,
সদা হাস্যোজ্জ্বল, মানবিক মানুষ।
সময় সুযোগ বুঝে পরিচিত
সবার কুশলাদি বিনিময় করেন।
উনি বহুগুণের অধিকারী মাশাআল্লাহ,
প্রেস ক্লাবে কবিতা পাঠের আসরে
যোগদানে উৎসাহিত করেন।
আমি শারীরিক,নানান সমস্যার কারণে যেতে পারিনা।
উনার বাসায় যাওয়ার নিমন্ত্রণ দিয়েছেন কয়েকবার ঐ সেম সুর।
আমার ফেসবুক পরিচিত,
ভাইয়ার ও ফেসবুক পরিচিত
কোহিনুর আক্তার (লিজা )আপু
ভাইয়ার অসুস্থতার কথা শুনে দেখতে চেয়েছেন।
ভাইয়াকে বলেছেন মিতা আপু যদি,
তাহলে আমি যাবো।
ভাইয়া বলল,
মিতা তো বৈদ্য বাড়ি দৌড়াদৌড়ি করছে,
ওতো আসতে পারবেনা।
তুমি অন্য কাউকে নিয়ে আসো,
তোমাকে কবিতা আসরে আসতে বললাম;
তুমি বলো মিতা আপু গেলে আমি যাবো।
এই কথা শুনে আমি অবাক!
উনার সাথে তো আমার তেমন
যোগাযোগ নেই তারপরও !
ঠিক আছে আমি কল দিয়ে জিজ্ঞেস করছি,
আপু আপনি কি — বলেছেন?
জ্বি আপু ,
আপু আমার কল পেয়ে অনেক খুশি ।
আমি আর সাতপাঁচ ভাবতে পারিনি ওকে ডান;
আমি ফরজ আদায় করে নিচ্ছি আপনি তৈরি হোন।
যথারীতি __
ধারাবাহিক নিয়মে কর্ম শেষ করে
হাত,পা,কোমর ব্যথা কে বলছি,
শোন তোরা আমার জীবন সাথী,
তোদের ছাড়া কেমনে বাঁচি?
খানিক সময় ঔষধের বক্সে থাক বন্দী;
মনের পঙীরাজ কে বললাম জাগ্রত হও
প্রেমের মূল্যায়ন করতে হবে।
অশ্বারোহণ সাজিয়ে —-
গন্তব্যে আলহামদুলিল্লাহ ।
দেখা হলো ,ভাব হলো ,
অনেক অজানা কে জানা হলো।
জ্ঞানীগুণীদের গবেষণার ফলপ্রসূ ;
নয়ন দিয়ে নয় শুধু,
হৃদয় দিয়ে অনুভব করলে
জানতে বুঝতে পারবে অনেক কিছু।