• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সাংবাদিকের গায়ে হাত? ধর্মতলা কাঁপিয়ে জবাব দিল সাংবাদিক সমাজ জগন্নাথপুরে প্রথমবারের মতো কৃষি ঋণ বিতরণ শুরু করলো সকল ব্যাংক জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা চট্রগ্রামের কিডস্ ক্লাবের বড় সাফল্য কবিতাঃ জগৎ জিততে হবে ​মুক্তিযোদ্ধারা কাঁদলে বাংলাদেশও কাঁদবে: এমপি আমীর এজাজ খান জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির জরুরী সভা: ১০ আগস্টের মধ্যে ওয়ার্ড কমিটি জমার নির্দেশ তাহিরপুরে জমি বিরোধে মামলা করায় নারীসহ ৬ জনকে কুপিয়ে জখম রত্নগর্ভ পিতা-মাতাসহ সায়মাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন লোহাগাড়া ভবন মালিক এসোসিয়েশন বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন, প্রেমিক পলাতক, বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকি জারিকারক পদে লিখিত পরীক্ষায় অন্যের প্রক্সি দিতে গিয়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড, শিক্ষক জুয়েল রানাকে নিয়ে প্রশ্ন

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি চেয়েছেন, ক্লিনটন হাওলাদার পাভেল

Reporter Name / ৮৮ Time View
Update : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

 

স্টাফ রিপোর্টার:

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত ও পূর্ণ রোগমুক্তির জন্য গভীর প্রার্থনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ সাপোর্টারস ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা, রাস্ট্র চিন্তক, গবেষক, কলামিস্ট ও আমেরিকা প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ক্লিনটন হাওলাদার পাভেল ।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে গণমাধমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তিনি এই প্রার্থনা করেন ।
বিবৃতিতে বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও দুঃখজনক উল্লেখ করে তার দ্রুত, পূর্ণ রোগমুক্তির জন্য গভীর প্রার্থনা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের প্রতিনিধিত্ব করেন। দীর্ঘ প্রতিকূলতা, সীমাহীন চাপ ও কঠিন বাস্তবতার মাঝেও তিনি যে দৃঢ়তা, সাহস ও আপসহীন নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন, তা এই দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে উজ্জ্বল অক্ষরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তার সুস্থতা কেবল তার নিজের দলের জন্য নয় বরং দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং মানবিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে ক্ষমতার ট্রানজিশনাল পর্যায়ে তার মতো অভিজ্ঞ নেত্রীর উপস্থিতি জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিবৃতিতে ক্লিনটন হাওলাদার পাভেল মহান সৃষ্ঠিকর্তার কাছে বেগম জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বলেন মহান সৃষ্টিকর্তা যেন তাকে দ্রুত সুস্থ করে দেন, তার কষ্ট লাঘব করেন এবং সর্বোত্তম ব্যবস্থার ব্যবস্থা করে দেন। তিনি খালেদা জিয়ার জন্য সবার কাছে দোয়া চান। তিনি সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উপমহাদেশের রাজনীতিতে এক মহাকাব্যের নারী উল্ল্যেখ করে আরো বলেন উপমহাদেশের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু নাম যুগ পেরিয়ে আলো ছড়ায়। সেই আলোকিত নামগুলোর অন্যতম সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন, বরং বাংলাদেশের বহুপ্রতীক্ষিত গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক কেন্দ্রবিন্দু তিনি। তার অসাম্প্রদায়িক চিন্তা, দৃঢ়তা, নীরব শক্তি এবং আপোষহীন নেতৃত্ব দেশের রাজনীতিকে বহুবার নতুন পথ দেখিয়েছে।
রাজনীতিতে তার পদার্পণ কখনোই কেবল আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ছিল না। ছিল ব্যক্তিগত শোক, রাষ্ট্রীয় সংকট, ষড়যন্ত্র আর প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে টানা যুদ্ধ। স্বামী রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর শোকের ভার নিয়ে রাজনীতির অগ্নিপথে প্রবেশ করেন তিনি। পরবর্তীতে জীবনের বার্ধক্যে থেকেও দূরত্বে অনুভব করেছেন প্রবাসী সন্তানের বেদনা; হারিয়েছেন আরেক সন্তানকেও।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাকে ঘিরে উঠেছিলো অপবাদ, ভুল ব্যাখ্যা ও কুৎসার বিস্তৃত ঝড়। দেশের ভিন্নমতাবলম্বী প্রজন্ম তাকে ঘৃণা করতে শেখানো হয়েছে বহু বছর। তবুও তিনি খুব কমই প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার ভাষায় কথা বলেছেন। নীরবতাকেই বেছে নিয়েছেন তার শক্তি হিসেবে—এক নীরবতা যা প্রতিপক্ষকে বারবার বিস্মিত করেছে।
রাজনীতিতে তার সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল আপোষহীনতা—যা পরবর্তীতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক শব্দভাণ্ডারেও নতুন অর্থ নিয়ে জায়গা করে নেয়। শুদ্ধতা, শালীনতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান ছিল তার রাজনৈতিক পরিচয়ের অন্যতম স্তম্ভ।
তার নেতৃত্বে বিএনপি যে শিখরে উঠে আসে, তা অনেক বিশ্লেষকের মতে দলের সামগ্রিক সামর্থ্যের চেয়েও বেশি ছিল। দলটির অভ্যন্তরে তার সমপর্যায়ের নেতৃত্ব গড়ে না ওঠা—এটিকেই অনেক পর্যবেক্ষক মনে করেন তার রাজনৈতিক যাত্রার গভীরতম ট্র্যাজেডি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি সময় ও পরিস্থিতি ভিন্ন হতো, তবে তিনি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবেও দেশের ইতিহাসে আরেকটি অধ্যায় রচনা করতে পারতেন। তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দৃঢ়তা নিয়ে আজও গবেষণা ও আলোচনার অবকাশ রয়েছে।
বর্তমানে শারীরিকভাবে তিনি অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন। তার স্বাস্থ্যের অবনতি নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে প্রতিনিয়ত। অনেকে আশঙ্কা করছেন—যদি বেগম খালেদা জিয়ার প্রস্থান ঘটে, তবে সেটি হবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক যুগের অবসান।
তার জীবনের উত্থান-পতন, সংগ্রাম ও দৃঢ়তার পথচলা ভবিষ্যতের তরুণ প্রজন্মের কাছে রয়ে যাবে অনুপ্রেরণার এক নক্ষত্রখচিত পাঠ হিসেবে—যেখানে দেখা যাবে, এক নারী কীভাবে পুরো একটি জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শেখাতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd