• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
পূর্বধলায় শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, সেক্রেটারি নিলয় চক্রবর্তী পাঁচবিবি সীমান্তে মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৪২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি নতুন কমিটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত সভাপতি খলিল, তরুণ সাংবাদিকদের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির পৃথক অভিযানে ইস্কাফসহ হেরোইন ও গাঁজা আটক পাঁচবিবির যমুনা নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত নেত্রকোণায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ডিমলা-পাটগ্রামে বিজিবির অভিযান: ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, বিদেশি মদ জব্দ নেত্রকোনায় থামছে না বাল্যবিয়ে, ১১ মাসে বন্ধ হলো ২১টি বিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের (সিজন-২) উদ্বোধন

​অবিলম্বে ঈদুল আযহার পূর্বেই এমপিওভুক্ত কর্মচারীদের শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদানের জোর দাবি ​

Reporter Name / ১০৪ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

বর্তমান সময়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লেও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। যেখানে সকল সরকারি চাকরিজীবীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেখানে কর্মচারীদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। বিগত বছরে শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ২৫% থেকে বৃদ্ধি করে ৫০% করা হলেও কর্মচারীদের ক্ষেত্রে তা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যা অত্যন্ত অমানবিক এবং চরম বৈষম্যমূলক।
​এমপিওভুক্ত ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটি-র

মহাসচিব মোঃ কামরুল খান

এক বিবৃতিতে বলেন, “বাজারের আগুনমূল্য শিক্ষক এবং কর্মচারী—উভয়ের জন্যই সমান। একজন শিক্ষক ও কর্মকর্তা যে বাজারে বাজার করেন, একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীও সেই একই বাজারে যান। তাহলে কেন কর্মচারীদের ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে? মাত্র ৮২৫০ টাকা মাসিক বেতন দিয়ে বর্তমান সময়ে কোনোভাবেই সংসার চালানো সম্ভব নয়। এই অবস্থায় উৎসব ভাতা না বাড়ানো কর্মচারীদের পরিবারের প্রতি এক ধরনের উপহাস।”

​
পদ-​পদবী ও মর্যাদা নিয়ে ষড়যন্ত্র: দীর্ঘদিন ধরে দপ্তরীদের পদ-পদবী পরিবর্তন নিয়ে নানা টালবাহানা ও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, যা তাদের সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করছে।

​বদলির বৈষম্য: প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের জন্য বদলি নীতিমালা করা হলেও কর্মচারীদের বিষয়টি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে। যখনই কর্মচারীদের দাবি সামনে আসে, তখনই রাষ্ট্রের অর্থনীতির অজুহাত তোলা হয়।
​শিক্ষার মানোন্নয়ন: শিক্ষা ক্ষেত্রে গতিশীলতা আনতে হলে শিক্ষক ও কর্মচারীদের সমান অগ্রাধিকার দিতে হবে। কর্মচারীদের বঞ্চনার মধ্যে রেখে শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়।

​আমাদের দাবি:
১. আসন্ন ঈদুল আযহার পূর্বেই এমপিওভুক্ত সকল কর্মচারীদের শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদান করতে হবে।
২. কর্মচারীদের বেতন বৈষম্য অবিলম্বে নিরসন করতে হবে।
৩. শিক্ষা নীতিমালার আলোকে দপ্তরী বা পিয়নদের পদ-পদবী ও বদলি সংক্রান্ত বৈষম্য দূর করতে হবে।

​মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি আকুল আবেদন, কেবলমাত্র প্রকল্পের বাজেট নিয়ে ব্যস্ত না থেকে তৃণমূল পর্যায়ের এই কর্মচারীদের মানবেতর জীবনের কথা বিবেচনা করুন।

“শিক্ষা বাঁচাও, দেশ বাঁচাও” স্লোগানকে সার্থক করতে হলে কর্মচারীদের অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করুন।
​এমপিওভুক্ত ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারীরা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আজ ঐক্যবদ্ধ।
দাবি পূরণ না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

​ধন্যবাদান্তে,
​
মোঃ কামরুল খান
মহাসচিব
এমপিওভুক্ত ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ
কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd