কলমেঃ সাহেলা সার্মিন
এখানে রাত নামে সন্তর্পণে,
চাঁদের মোম জ্যোৎস্না ঢেলে দেয় নিঃস্বার্থ আলো,
ঠিক মানুষগুলো যেমন!
কেউ কাওকে সহজে ঠকায় না।
বাঁশ বাগানে ঝিঁঝিঁ পোকারা যখন ঘুমের নূপুর বাজায়-
জ্যোৎস্নার সুর সাকি মুগ্ধতায় গুনগুন করে ওঠে। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য্যের বাগান
সোনালী ঝালড় উড়তে থাকে ষোড়শীর কপাল জুড়ে!
রাতের মায়ায় আটকে পড়ে হাজারো কলম!
সবুজ বৃক্ষরাজি গলাগলিতে ছড়ায় সূর্যের বিকিরণ,
সুশীতল ছায়াতলে আপন আদরে আগলে রাখে-
গায়ের হাঁপিয়ে ওঠা জনপদ, কুকুর ও গরু-ছাগলকে।
গাঁয়ের বধূ পুকুরে জল আনতে গেলে
গাছের ছায়ার মায়া ধরে রাখে কিছুক্ষণ,
তারপর পাশের বাড়ির ভাবি অতঃপর চাচি
জড়ো হয় আরো অনেকে,
দ্রুততায় সারে সুখ-দুঃখের আলাপন।
মনের বোঝা হালকা হয়,কারো বা প্রফুল্ল চিত্ত।
শহরে ইট পাথরের দেয়ালে গুমরে মরার ভয় এখানে অপ্রতুল;
তাইতো কেউ এখানে অন্ধকারে মরে পঁচে দুর্গন্ধ ছড়ায় না।
এখানে আছে আলো,আছে ভালোবাসা, স্নেহ, মায়া-মমতা,
শ্বাস-প্রশ্বাস জুড়ে কেবলি সূর্যদয়ের সোনালী স্বপ্ন।
আছে হাড় কাঁপানো শীত,অতিবৃষ্টিতে জলকাদা
নদী ভাঙনে হাড্ডিসার কঙ্কাল দেহাবয়ব,
তবুও স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকে তারা!