কলমে: ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম
বিশ্ব কবি “রবি” !
সবাই তোমার নোবেল দেখে
আমি দেখি দূঃখ,
সারাজীবন কষ্ট পেলে
পেলে নাতো সুখ !
মা ‘সারদা’ চলে গেলেন
তোমায় রেখে একা,
কাদম্বরীর আত্মহত্যা
পেলে হৃদয় ধাক্কা !
সন্তান হীনা কাদম্বরীর
তুমি ছিলে বন্ধু,
তুমি ব্যস্হ স্বামী ব্যস্হ
নিতে না কেউ খোঁজ
একাকিত্বে জীবনটা তার
হয়ে গেলো বোঝ!
তা-ই তো মরলো আফিম খেয়ে
বন্ধা খোঁটা থেকে,
ঘোড়া চড়তো রোজ যে নারী
কেন বসলো বেঁকে?
এত মুষড়ে পড়লে তুমি
ভাবলে জীবন একা,
স্ত্রী ‘মৃণালিনী’ গেলেন চলে
তোমায় করে ফাঁকা !
মেয়ে ‘বেণুকা’ মরার পরে
আবার পিতৃ হারা,
বিষাদময় জীবন তোমার
সুখ দেখি না ‘যাঁরা’ !
কনিষ্ঠ পুত্র গেলো মারা
তোমায় বিষাদে ভাসি,
বছর অন্তে এসেছে ‘যম’
কেড়েছে মুখের হাসি !
‘মীরার’ স্বামী ‘নগেন্দ্রনাথ’
ছিলো সেচ্ছাচারি,
কন্যা তোমার কেঁদেছে শত
আছাড়ি পাছাড়ি !!
নগেন্দ্রনাথ ছিলো নেশাখোর
রোজ এসে চাইতে টাকা,
“মীরার” উপর হতো অত্যাচার
তোমার পকেট ফাঁকা !
মনের কষ্টে দগ্ধে বলতে
ভগবান নাও তুলি,
স্বর্গে ওকে স্হান দিও
পাঠিও না ধরায় ভুলি!!
দূঃখী ‘মীরা’ চলে গেলো
তোমাকে না কয়ে,
দূঃখের সাগরে ভাসলে তুমি
হৃদয়ে ছিদ্র লয়ে !
এমনি ভাবে কত কষ্টে
আশিটা বছর পার
সবাই তোমার “নোবেল” দেখে
জানেনা ‘বুকের ভার’