• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

কিশোরগঞ্জ রেলস্টেশনে অবৈধ বিদ্যুৎ বাণিজ্য মাসে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ রেলকর্মচারীর বিরুদ্ধে

Reporter Name / ১৬৪ Time View
Update : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

 

মোঃ মাহ্ফুজুল হক খান (জিকু) কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

২৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) কিশোরগঞ্জ রেলস্টেশন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আসছে বিভিন্ন দোকানপাট,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের বসতবাড়ি। এসব অবৈধ সংযোগের বিনিময়ে প্রতি মাসে জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে রেলওয়ের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে,যাকে স্থানীয়রা ‘টিপু মামা’ নামে চেনেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,রেলস্টেশনের বৈধ বিদ্যুৎ লাইনের সঙ্গে কোনো ধরনের মিটার বা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই সংযোগ দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। এসব সংযোগ দীর্ঘদিন ধরে চালু থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, রেলওয়ের ওই কর্মচারী অবৈধ সংযোগগুলোর তদারকি করেন এবং প্রতিটি দোকান ও বসতবাড়ি থেকে মাসে নির্দিষ্ট হারে ৫০০ টাকা করে আদায় করেন। তবে এই অর্থ আদায়ের বিপরীতে কোনো রসিদ বা প্রাতিষ্ঠানিক হিসাব দেওয়া হয় না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানদার বলেন,
দীর্ঘদিন ধরেই এভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছি। মাস শেষে টাকা না দিলে সংযোগ কেটে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

সচেতন মহলের মতে, এসব অবৈধ সংযোগের ফলে একদিকে সরকার বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে,অন্যদিকে ঝুঁকিপূর্ণ তার ও সংযোগের কারণে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রেলওয়ে কর্মচারী টিপু অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন। তিনি বলেন,কিছু গ্রাহক সময়মতো টাকা দিতে চায় না বলেই বর্তমানে তিনি মাসে মাসে টাকা সংগ্রহ করেন না।

কিশোরগঞ্জ রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো,খলিলুর রহমান জানান।
এ ধরনের কোনো অনিয়ম আমাদের নজরে এলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে কিশোরগঞ্জ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রউফ বলেন,কিশোরগঞ্জ রেলস্টেশনের মাসিক বিদ্যুৎ বিল দেখে আমরা বিস্মিত। এ ধরনের একটি স্টেশনে মাসে দেড় থেকে দুই লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল হওয়ার কথা নয়। আমাদের দপ্তরের কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি,অবিলম্বে সব অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় রেলওয়ের সম্পদ অপচয়ের পাশাপাশি বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকেই যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd