• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু ২০১৭ সালে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা, ৯ বছর পর সেই রাণীশংকৈলের ইউএনও গোলাম রব্বানী ডিমলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ধনঞ্জয় রায়কে শুভেচ্ছা খুলনা আর্ট একাডেমির সিংগাইরে দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে অবৈধ চায়না জালের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ত্রাণমন্ত্রী দুলু নিয়ামতপুরে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু আজকের জনকথা’য় সংবাদ প্রকাশের পর প্রক্সি দেওয়া শিক্ষক জুয়েল রানা সাময়িক বরখাস্ত সিংগাইরে অসহায় দু:স্থ পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ সিংগাইরে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

​খুলনায় আলোচিত জোড়া হত্যা মামলার রায়: ৮ জনের যাবজ্জীবন, খালাস ৯

Reporter Name / ২৮ Time View
Update : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

​খুলনা ব্যুরো:

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর খুলনার সোনাডাঙ্গার আলোচিত হায়দার আলী ও তরিকুল ইসলাম পিকু জোড়া হত্যা মামলার রায় ঘোষিত হয়েছে। মামলায় ৮ জন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর ৯ আসামিকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
​আজ বুধবার (১৫ জুলাই, ২০২৬) দুপুরে খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নুসরাত জাবিন জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মাত্র ১ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন,বাকি ৭ জনই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।​দণ্ডপ্রাপ্ত ও খালাসপ্রাপ্তদের পরিচয়
​যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন:
১. ফারুক শেখ ওরফে গাড়ি ফারুক (রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত)২.নুর উদ্দিন রাজু (পলাতক)৩. জাহাঙ্গীর হোসেন (পলাতক)
৪. সোহেল শিকদার (পলাতক)
৫. কালু শেখ (পলাতক)
৬. সিদ্দিক (পলাতক)
৭. ওয়াসিম (পলাতক)
৮. আব্দুর জব্বার (পলাতক)
​আদালত সূত্র জানায়, মামলার অপর ৯ আসামির বিরুদ্ধে অপরাধের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের সসম্মানে খালাস দেওয়া হয়েছে।​মামলার প্রেক্ষাপট ও দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া
​মামলার এজাহার ও রাষ্ট্রপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ২ফেব্রুয়ারি খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানা এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে নির্মমভাবে খুন হন হায়দার আলী ও তরিকুল ইসলাম পিকু। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর নিহত হায়দার আলীর ভাই তৈয়ব আলী বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় ১৭ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।​মামলা দায়েরের পর তদন্ত কর্মকর্তা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে তদন্ত শেষ করে একই বছরের ৩ অক্টোবর (২০১০) আদালতে ১৭ জনের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণ ও উভয় পক্ষের দীর্ঘ সওয়াল-জবাব শেষে আজ বিজ্ঞ আদালত এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করলেন।​রাষ্ট্রপক্ষের সন্তোষ ও পুলিশের তৎপরতা ​মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফারহানা হক ডেইজি রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন,
​দীর্ঘ ১৫ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আজ ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বার্তা আরও জোরালো হলো। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে অত্যন্ত সন্তুষ্ট।
​এদিকে, সাজাপ্রাপ্ত আট আসামির মধ্যে যে সাতজন পলাতক রয়েছে, তাদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে বলে থানা সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। আদালতের রায়ের কপি পাওয়ার পরপরই পলাতকদের গ্রেফতারে তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd