• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কাকিনায় ট্রাক-অটো মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ২ পূর্বধলায় শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, সেক্রেটারি নিলয় চক্রবর্তী পাঁচবিবি সীমান্তে মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৪২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি নতুন কমিটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত সভাপতি খলিল, তরুণ সাংবাদিকদের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির পৃথক অভিযানে ইস্কাফসহ হেরোইন ও গাঁজা আটক পাঁচবিবির যমুনা নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত নেত্রকোণায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ডিমলা-পাটগ্রামে বিজিবির অভিযান: ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, বিদেশি মদ জব্দ নেত্রকোনায় থামছে না বাল্যবিয়ে, ১১ মাসে বন্ধ হলো ২১টি বিয়ে

জাল ডিগ্রি কেলেঙ্কারি: তদন্ত বোর্ডেও মূল সনদ দেখাতে পারলেন না সভাপতি

Reporter Name / ১৩২ Time View
Update : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

 

 

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ছাতনাই উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে জাল ডিগ্রি সনদ ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত বোর্ডের সামনেও তিনি ডিগ্রি পাসের মূল সনদ উপস্থাপন করতে পারেননি।
বুধবার (১১ মার্চ) ডিমলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে তদন্ত বোর্ডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত হয়ে অভিযুক্ত সভাপতিকে তার ডিগ্রি পাসের মূল সনদ দেখাতে বলা হলে তিনি তা প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হন। পরে সময় চেয়ে লিখিত আবেদন করলে তা মঞ্জুর করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।
তদন্ত চলাকালে বোর্ড কক্ষের বাইরে কয়েকটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। বোর্ডের কার্যক্রম চলাকালে সভাপতি নাজমুল হুদা এবং বিদ্যালয়ের নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও ছাতনাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. অজিবুল হক দুলুকে অন্তত তিনবার বোর্ড কক্ষের বাইরে যাতায়াত করতে দেখা যায়। এ সময় তারা মো. জাহিদুল ইসলাম, মানিক মিয়া, রিপন ও শিবলুসহ কয়েকজন বহিরাগত ব্যক্তির সঙ্গে দীর্ঘ সময় আলোচনা করেন।
পরে ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে সভাপতি নাজমুল হুদা ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিবুল হক দুলু ডিমলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে কর্মরত এক কর্মকর্তার কাছ থেকে কাগজ-কলম নিয়ে ডিগ্রি সনদের মূল কপি উপস্থাপনের জন্য সময় চেয়ে লিখিত আবেদন করেন।
তদন্ত চলাকালে বহিরাগতদের উপস্থিতি এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বারবার বোর্ড কক্ষের বাইরে যাতায়াত নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, জাল সনদের মতো গুরুতর অভিযোগের তদন্তে এ ধরনের প্রভাব তদন্তের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি করতে পারে।
এদিকে তদন্ত শেষে অভিযুক্ত সভাপতি নাজমুল হুদার বক্তব্য নিতে চাইলে উপস্থিত কয়েকজন বহিরাগত ব্যক্তি তাকে ঘিরে রাখেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে বাধা দেন। এ সময় মো. জাহিদুল ইসলাম, মানিক মিয়া, রিপন ও শিবলুসহ কয়েকজন বলেন, “আমরা নাজমুল হুদা (তারিফ) ভাইয়ের লোক। কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাদের বলেন।”
এ ঘটনায় উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।
ডিমলা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছাঃ আফরোজ বেগম বলেন,
“অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত বোর্ড বসে প্রাথমিক যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। অভিযুক্ত সভাপতি আজ ডিগ্রি সনদের মূল কপি দেখাতে পারেননি এবং সময়ের আবেদন করেছেন। বিষয়টি নথিভুক্ত করা হয়েছে। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মূল সনদ উপস্থাপন করতে না পারলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে জাতীয় দৈনিক নয়া দিগন্তে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ছাতনাই উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া মো. নাজমুল হুদা যে ডিগ্রি সনদ জমা দিয়েছেন, তার উল্লেখিত রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কলেজের রেকর্ডে কোনো শিক্ষার্থীর তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি ওই রোল নম্বরেও কলেজে কোনো শিক্ষার্থীর অস্তিত্ব নেই বলে সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd