• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সাংবাদিকের গায়ে হাত? ধর্মতলা কাঁপিয়ে জবাব দিল সাংবাদিক সমাজ জগন্নাথপুরে প্রথমবারের মতো কৃষি ঋণ বিতরণ শুরু করলো সকল ব্যাংক জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা চট্রগ্রামের কিডস্ ক্লাবের বড় সাফল্য কবিতাঃ জগৎ জিততে হবে ​মুক্তিযোদ্ধারা কাঁদলে বাংলাদেশও কাঁদবে: এমপি আমীর এজাজ খান জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির জরুরী সভা: ১০ আগস্টের মধ্যে ওয়ার্ড কমিটি জমার নির্দেশ তাহিরপুরে জমি বিরোধে মামলা করায় নারীসহ ৬ জনকে কুপিয়ে জখম রত্নগর্ভ পিতা-মাতাসহ সায়মাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন লোহাগাড়া ভবন মালিক এসোসিয়েশন বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন, প্রেমিক পলাতক, বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকি জারিকারক পদে লিখিত পরীক্ষায় অন্যের প্রক্সি দিতে গিয়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড, শিক্ষক জুয়েল রানাকে নিয়ে প্রশ্ন

ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে বেড়েছে চুরি, আতঙ্কে রোগী ও স্বজনরা

Reporter Name / ৬৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

 

 

মোঃ আকতারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে দিন দিন বেড়ে চলেছে চুরির ঘটনা। চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা ওয়ার্ড, কেবিন, লিফট ও বারান্দা থেকে মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, নগদ টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী হারানোর অভিযোগ করছেন। গত এক সপ্তাহে অন্তত সাতটি চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এতে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে জানা যায়, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বাসিন্দা মাসুদ রানা গত ১৮ জুন অসুস্থ বাবাকে দেখতে হাসপাতালে আসেন। কিছু সময়ের জন্য কেবিনের বাইরে গেলে এক ব্যক্তি মোবাইল ফোন চার্জ দেওয়ার কথা বলে কেবিনে প্রবেশ করে তার মানিব্যাগ ও নগদ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তিনি সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

মাসুদ রানা অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার পর থানায় জিডি করলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। একই দিনে আরও দুজন চুরির শিকার হয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন গড়ে প্রায় দেড় হাজার রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে হাসপাতালে আসেন। অতিরিক্ত রোগীর চাপ এবং মানুষের অবাধ যাতায়াতের সুযোগে সংঘবদ্ধ চোরচক্র বিভিন্ন ওয়ার্ড ও কেবিনে প্রবেশ করে চুরির ঘটনা ঘটাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চুরির শিকার হওয়া রোগীর স্বজন ফয়সাল জানান, মেডিসিন বিভাগে যাওয়ার সময় লিফটে ওঠার পর নিচে নেমে দেখেন তার মানিব্যাগ নেই।

আরেক ভুক্তভোগী আমেনা বেগম বলেন, রোগীকে দেখতে হাসপাতালে এসে তার হাতে থাকা ব্যাগ এক যুবক ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ কারণে হাসপাতালে সবসময় আতঙ্ক নিয়ে চলাফেরা করতে হচ্ছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না থাকায় চোরচক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান জুয়েল বলেন, চুরি প্রতিরোধে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ৫২টি সিসিটিভি ক্যামেরা চালু রয়েছে। এছাড়া আগামী মাসের শুরু থেকে ৩০ জন আনসার সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি রোগী ও স্বজনদের মূল্যবান জিনিসপত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

হাসপাতালে ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় রোগী ও স্বজনরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা এবং চোরচক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd